Published : 15 May 2026, 11:05 PM
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফরের যে খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তা নাকচ করে দিয়েছে ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশন।
শুক্রবার রাতে কমিশনের একজন মুখপাত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ ধরনের কোনো পরিকল্পনার কথা আমাদের জানা নেই।”
এদিন ইসলামাবাদ পোস্টের এক খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফর থেকে ফেরার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির তিন দিনের সফরে ঢাকা যাবেন।
সংবাদমাধ্যমটি এটাও লিখেছে যে, এই সফরে বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।
খবরে আরো বলা হয়, “আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে বৃহৎ পরিসরের একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলার কথাও রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের সামরিক কারখানা আধুনিকায়নে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, গোলাবারুদ ও উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামসহ অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষম হবে।”
তবে এখন পর্যন্ত ইসলামাবাদ কিংবা ঢাকা, কোনো পক্ষই সফর বা চুক্তির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।
জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বধীন সরকারের পতনের পর ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক উষ্ণ হয়। কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গতি পায় বাণিজ্যিক সম্পর্কও।
২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো কোনো পাকিস্তানি জাহাজ ভেড়ে চট্টগ্রাম বন্দরে। এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা-করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চলাচলও শুরু হয়।
সবশেষ চলতি মাসের শুরুর দিকে ‘দক্ষতা বাড়ানোর’ প্রশিক্ষণ নিতে ১৮ দিনের সফরে পাকিস্তানে যান সরকারের উচ্চপদস্থ ১২ কর্মকর্তা।
এ তালিকায় একজন অতিরিক্ত সচিব এবং ১১ জন যুগ্ম সচিব রয়েছেন।