Published : 03 May 2026, 08:48 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়া প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার প্রার্থীর কেউ বাদ পড়বেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক অধিবেশেন শেষে সাংবাদিকদের সামনে আসেন তিনি।
তিনি বলেন, “যদিও ১৪ হাজার ৩০০ এর বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগটা তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে, অনেক প্রশ্ন রয়েছে৷ তবুও আমরা কাউকে বাদ দিচ্ছি না। সবাই যোগদানের সুযোগ পাবে।"
কবে নাগাদ তারা যোগ দিতে পারেন- ¬এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “খুব শিগগির। সচিবালয়ে গিয়ে ফাইল খুলে দেখে এটা বলা যাবে। কী কী প্রসিডিউর বাকি আছে, সেটা দেখতে হবে। প্রসিডিউর শেষ হলেই যোগদান করানো হবে।"
পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি।
এ নিয়ে ডিসি সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, “তাদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা যোগ্য কিনা- কোনও ঘাটতি আছে কিনা, সেটা দেখা হবে।
“ধরুন, তাদের যোগদানের পর পিটিআই ট্রেনিং নেবে। সেখানে যদি তারা ফেল করে তাহলেতো আর শিক্ষক হতে পারবে না। তাছাড়া সরকারি বিধিতে যেটা আছে যে, চাকরিতে যোগদানের পর তারা সাকসেসফুলি যদি দুই বছর পার করতে পারে, তাহলে তাদের রাখবো, পারমানেন্ট করবো। সবকিছুই করা হবে দেশের শিক্ষার স্বার্থে। আমরা সবাই চাই যোগ্য শিক্ষকরা নিয়োগ পাক, আমাদের সন্তানদের পড়াক।"
ব্রিফিংয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।