০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সেশন জট কমানোর নামে হঠাৎ এসএসসি পরীক্ষা এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত কি যৌক্তিক? যখন শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবক—কেউই প্রস্তুত নন, তখন কার স্বার্থে এই তাড়াহুড়ো?
“পাবলিক অপিনিয়ন যদি হয়, আবারও আমরা বসতে পারি।"
"আমরা ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস এইট পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রমে পড়েছি। তারপর নাইন থেকে আবার পুরনো শিক্ষাক্রমে। এদিকে পরীক্ষা এগিয়ে আনা হল। আমরাই হই গিনিপিগ।”
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাগারের গিনিপিগ নয়; তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্তের মাসুল গুনবে পুরো রাষ্ট্র।
যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
“জিপিএ এ প্লাস পেলেই অভিভাবকরা সন্তুস্ত হন। কিন্তু একবারও ভেবে দেখছেন না, তোমরা কি শিখছো কি শিখতে পারোনি।”
“সারা বছর বসে থাকব, বছর শেষে শুধু পরীক্ষা দেব—এটাই লেখাপড়া নয়।”
“আমাদের ত্রুটি কোথায়? আমি নিজেও এর উত্তর খুঁজে পাইনি।”