Published : 25 Jul 2026, 07:39 PM
উন্নয়নের নামে ঢাকার পার্ক বা খেলার মাঠের মতো উন্মুক্ত স্থান কেড়ে নেওয়ার কথা উঠে এসেছে এক গোলটেবিলে।
বক্তারা বলেন, ঢাকার বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজউক ও রিহ্যাবের ভূমিকা নিয়ে নানা সমালোচনা রয়েছে।
আবাসন খাতের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার ফলে নাগরিক অধিকার ও পরিবেশগত বিষয়গুলো অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত থাকছে বলেও মনে করেন তারা।
শনিবার ঢাকার বাংলা মোটরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) কনফারেন্স হলে এ গোলটেবিল হয়। আলোচনার শিরোনাম ছিল, ‘পান্থকুঞ্জ পার্ক: ফাইট ফর দ্য আরবান কমন্স ইন ঢাকা’।
আরবান স্টাডিজ ফাউন্ডেশন (ইউএসএফ) অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এর আওতায় পরিচালিত ‘দ্য ফাইভ সিটি মাস্টারক্লাস সিরিজ: অর্ডিনারি ইকোলজিস অব রিপেয়ার’ এর অংশ হিসেবে এ গোলটেবিল হয়। নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বুয়েট, বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলন, বিআইপি, ‘দুনিয়াদারি আর্কাইভ’ যৌথভাবে এ গোলটেবিল আয়োজন করে।
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক আমিরুল রাজীব ও নাঈম উল হাসান।
মূল প্রবন্ধে আমিরুল রাজীব বলেন, “ড্যাপ সংশোধনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পক্ষের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। গণমাধ্যমের একটি অংশও বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রভাবের কারণে জনগণের কাছে প্রকৃত তথ্য যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়।”
তার দাবি, পান্থকুঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় দুই হাজার গাছ অপসারণ করা হয়েছে, যার ফলে জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বুয়েটের উপ-উপচার্য আবদুল হাসিব চৌধুরী, বেঙ্গল স্ট্রিমের স্থপতি ও কিউরেটর নিকলাউস গ্র্যাবার, পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান, বিআইপির সহ-সভাপতি শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান, পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নিশাত মাহমুদ ও পান্থকুঞ্জ পার্কের পার্শ্ববর্তী কাঁঠালবাগান এলাকার বাসিন্দা সাদমান সাকিব নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।