Published : 19 Dec 2025, 10:31 AM
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃতুতে একদল মানুষের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের কারণে সাড়ে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ভোরে যাত্রাবাড়ী গুলিস্তান ফ্লাইওভার খুলেছে।
হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর বৃহস্পতিবার রাত ১১টার পরে সেখানে বিক্ষোভে নামে ছাত্র জনতা।
যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার চারদিক থেকে বেরিকেড দেওয়া হয় এবং মাঝে আগুন ধরিয়ে স্লোগান দেয় বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় যাত্রাবাড়ী- গুলিস্তান ফ্লাইওভার ও নিচের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দূরপাল্লার বাস, মাল বোঝাই ট্রাক, চট্টগ্রামবন্দর অভিমুখী কন্টেইনার ও কভার্ডভ্যানের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
রাত ১টায় সায়দাবাদ দয়াগঞ্জ মোড়ে আটকে পড়া কভার্ডভ্যান চালক জসিম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা তো ভাই রাইতে বাইর হই ঢাকা থাইকা। ১২টার সময়ে দয়াগঞ্জ মোড়ে আসছি, আর আগুতে পারি নাই।''

রাজধানীর শনির আখাড়া ও চিটাগং রোডেও প্রতিবাদ হওয়ায় যাত্রবাড়ী- চিটাগং রোডের মধ্যবর্তী অংশে ঢাকা থেকে বের হাওয়া যাবাহন আটকে পড়ে যায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রশাসনের ব্যর্থতায় হাদি ভাইয়ের খুনি পালিয়ে যেতে পেরেছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও পুলিশের আইজির পদত্যাগ চাই। এক হাদিকে মেরে ফেলে জুলাইকে থামানো যাবে না।"
ভোর ৪টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা সড়ক ছাড়লে যানচলাচল শুরু হয়।
যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের কাজলা টোল প্লাজার টোল আদায়কারী আশরাফুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "কাজলা পয়েন্টে রাত ৪টা ১২ মিনিটে টোল পার হয় গাড়ি। রাত সাড়ে ১১টার দিক থেকে কাউন্টারের সামনে আটকে ছিল।'

“অবশ্য ফ্লাইওভারের উপরে থাকা যানবাহনের একটি অংশ ডেমরা পয়েন্টের টোল প্লাজা দিয়ে নেমে যেতে পারে। এই সড়ক দিয়ে ঢাকা হতে বের হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয়নি।
তবে বিপরীত পাশের লেন দিয়ে যাত্রাবাড়ী আসার পথটি বন্ধ হয়ে যায় যানজটে।
রাতের যানজটে আটকা গাড়ি চলাচল শুরু করার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে সময় লেগেছে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা পযর্ন্ত।