১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার: এমপি নজরুলের জামিন আবেদন আবার নাকচ

আপস হয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে গত বুধবার এক দফা জামিন আবেদন করা হয়; সেদিনও নাকচ করে দেয় আদালত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 11 Oct 2026, 07:24 PM

Updated : 11 Oct 2026, 07:24 PM

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন আবার নাকচ করে দিয়েছে আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি নিয়ে রোববার এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নজরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান জামিন চেয়ে শুনানি করেন।

গত বুধবার আপস হয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে গাজী নজরুলের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। সেদিনও আদালত আবেদন নাকচ করে দেয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

পরের দিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা ইসলামের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নজরুল ইসলামের সাথে প্রথম দফায় মাকছুদা ইসলামের ২১ সেপ্টেম্বর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়।

৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তাদের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান। মরিয়মের বাবার সাথে আসামিদের আপোসের কথা জানান তিনি। তারা জামিন পেলে বাদীপক্ষের আপত্তি নেই বলেও জানানো হয়। পরে আদালত মাকছুদা ইসলামকে জামিন দেন। তবে নজরুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করেন।

গ্রেপ্তারের পর ২৩ সেপ্টেম্বর ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়।