Published : 21 Jun 2026, 04:14 PM
ঢাকার মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীকে ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক রোববার এ আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী বুধবার দিন ঠিক করে দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, “ইকরাকে উদ্দেশ্যে করে যাহের আলভী অপমানসূচক ও উসকানি কথাবার্তা লিখে তার ফেইসবুকে পোস্ট করতো। আসামি বিবাহিত হওয়া সত্বেও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি পরনারীর সাথে ছবি সংযুক্ত করে উস্কানিমূলক কথাবার্তা লিখে তার ফেইসবুকে পোস্ট করে। মামলার মূল রহস্য উদঘাটনসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, শনাক করা ও আসামির স্থায়ী ঠিকানা উদঘাটনের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।”
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তবে আদালত সেদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গেল ৪ জুন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালতে যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
এদিকে ইকরার আত্মহত্যার পর ওই রাতেই মামলা করেন বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
ইকরার 'আত্মহত্যা': যাহের আলভীর আত্মসমর্পণ, জামিন নাকচ
ইকরাকে স্বামী আলভী বারবার আত্মহত্যা করে মরতে বলতেন: রাষ্ট্রপক্ষের