Published : 01 Oct 2025, 02:59 PM
এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ১০ কোটি টাকার সম্পদ আদালতের নির্দেশে ক্রোক করে সিআইডি বলেছে,
ওই ব্যবসায়ী এসব সম্পদ অর্জন করেছেন ‘চোরাচালানের মাধ্যমে’।
ওই ব্যবসায়ীর নাম শ্যাম ঘোষ। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে ‘স্বর্ণ চোরাকারবারি’ বলেছে সিআইডি।
সেখানে বলা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের একজন জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ গত ২৫ সেপ্টেম্বর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন।
স্বর্ণ চোরাকারবারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকার কোতোয়ালি থানার মানি লন্ডারিং আইনের একটি মামলা তদন্ত করতে গিয়ে সিআইডি শ্যাম ঘোষের ‘অবৈধ সম্পদের’ সন্ধান পায়। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ওই মামলা দায়ের করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "তদন্তে উঠে আসে, শ্যাম ঘোষ একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ঢাকার সূত্রাপুরে তার বাবার হোটেলে কাজ করতেন। পরে বিভিন্ন স্বর্ণের দোকানে চাকরির মাধ্যমে তিনি অবৈধভাবে পাওয়া স্বর্ণ কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় করেছেন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধলব্ধ আয়ের উৎস গোপন করেছেন।"
শ্যাম ঘোষ ‘চোরাকারবারের মাধ্যমে’ পাওয়া অর্থ দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ও দোকান কিনেছেন বলেও সিআইডির ভাষ্য।
যমুনা ফিউচার পার্কের ষষ্ঠ তলার সি ব্লকে তিনটি দোকান এবং ‘ড্রামস্টিক ইন্ডিয়ান স্পাইসি’ নামে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে শ্যাম ঘোষের।
এ ছাড়া কোতোয়ালি থানাধীন ওয়াইজঘাটে ‘বাবুলী স্টার সিটি’ ভবনের পঞ্চম তলায় এবং স্বামীবাগের ‘স্বর্ণচাপা’ ভবনের ষষ্ঠ তলায় নিজের ও ভাইয়ের যৌথ মালিকানায় ফ্ল্যাট রয়েছে।
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্লক-বি, লেভেল-৫-এ ‘নন্দন জুয়েলার্স’নামের স্বর্ণের দোকানও তার মালিকানা থাকার তথ্য দিয়েছে সিআইডি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্রোক করা সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে।