১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এমপিওভুক্তির দাবি: যমুনা অভিমুখে শিক্ষকদের পদযাত্রা আটকে দিল পুলিশ

শিক্ষকরা গত ২ নভেম্বর থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Nov 2025, 05:02 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:11 PM

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী শিক্ষকদের পদযাত্রা আটকে দিয়েছে পুলিশ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পঁচিশতম দিনের মত অবস্থানরত শিক্ষকরা বুধবার বেলা ৩টার দিকে যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন। 

তবে কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশ তাদের পদযাত্রা আটকে দেয়। এরপর শিক্ষকরা সেখানেই বসে অবস্থান করেন। পরে পুলিশ বুঝিয়ে সেখান তাদের থেকে সরিয়ে দেয়।

‘ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি বেতনভাতার তালিকাভুক্ত বা এমপিওভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষকরা।

পরিষদের সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুনিমুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পুলিশ আমাদের অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করছে।”

গত ২ নভেম্বর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আবারও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন ‘দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়া’ ননএমপিও শিক্ষকরা। 

পরিষদের সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুনিমুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “বিগত পবিত্র রমজান মাসে আমরা ননএমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে ১৭ দিনের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। সেসময় মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা সচিব মহোদয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় এমপিওভুক্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। 

“কিন্তু সে আশ্বাস আলোর মুখ দেখেনি। এদিকে বেতন-ভাতা না পাওয়া ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক কর্মচারীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বেতন না পেয়ে আমরা আর্থিক সংকটে, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি। 

“সরকারকে এমপিও নীতিমালা ও পরিপত্রের অসম খেলা বন্ধ করে সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার আহ্বান জানাই। তা না হলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দাবি আদায় করব।”

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শিক্ষকরা। ১৭ দিন অবস্থানের পর গত ১২ মার্চ তারা শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। 

এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করার কথা বলেছিলেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিয়া।

এরপর শিক্ষকরা ফের ২ নভেম্বর থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।