০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

রবীন্দ্রনাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা প্রসঙ্গে

যে নবাব পরিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করলে তাঁরা কি রবীন্দ্রনাথকে আমন্ত্রণ জানাতেন? তাঁকে রাজকীয় সংবর্ধণা দিতেন? নবাব নিজ হাতে মানপত্র কবিকে তুলে দিতেন?

মাসুদ কামাল মাসুদ কামাল

Published : 01 Nov 2026, 09:00 PM

Updated : 01 Nov 2026, 09:00 PM

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন--এরকম একটি গুঞ্জন বহুদিন থেকেই চালু আছে। শুধু বিরোধিতাই নয়, বরং নিন্দনীয় ভাষা ব্যবহার করে বিরোধিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি নাকি বলেছিলেন, ‘মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়?’ শুধু তাই নয়, কোন কোন ক্ষেত্রে এটাও শোনা যায়, তিনি বলেছিলেন, ‘কাঙালের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়?’ অথবা, ‘চণ্ডালের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়?’ যাঁরা রবীন্দ্রনাথকে জানেন, যাঁরা রবীন্দ্রনাথের লেখার সাথে পরিচিত, রবীন্দ্রনাথের আভিজাত্য, রুচিবোধ, শালীনতার সাথে যাঁরা পরিচিত তাঁরা জানেন, এই মন্তব্যগুলো রবীন্দ্রনাথের সাথে কতটা বেমানান! রবীন্দ্রনাথের সকল লেখনী, বক্তৃতা, বিবৃতি, ভাষণ সব কিছুই প্রকাশিত এবং প্রচারিত। এমনকি তাঁর লেখনীর খসড়া, আঁকিবুকি, স্মৃতিচারণ, চিঠি সব কিছুই প্রকাশিত। রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গের বিরোধী ছিলেন। এ সম্পর্কে তাঁর প্রচুর লেখা রয়েছে। বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তাঁর সভা-সমিতি, সেমিনারে অংশগ্রহণ, বক্তব্য সব কিছুই তখনকার পত্র-পত্রিকাতেই আছে, বই আকারে ছাপার অক্ষরেও আছে। কিন্তু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে কোথাও কোন কিছু লিখেছেন, বলেছেন এমন কোনো উল্লেখ কেউই দিতে পারেন নি। কিন্তু তবু তর্ক অব্যাহত রয়েছে।

অপবাদের সূত্রপাত:

২০০০ সালে এবং পরবর্তী দু-তিন বছর সাম্প্রদায়িক কিছু ব্যক্তি তাদের লেখায় কোনো প্রকার উল্লেখ ছাড়াই রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার শুরু করে। তাদের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রগতিশীল বেশ কিছু লেখক তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান এবং রবীন্দ্র-বিরোধীদের কাছে তাদের বক্তব্যের রেফারেন্স দাবি করেন। কিন্তু, রবীন্দ্র-বিরোধী এই লেখকরা পরবর্তী কোন সময়েই তার জবাব দেননি। ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের প্রাক্কালে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীটি সোশ্যাল মিডিয়াকে আশ্রয় করে অত্যন্ত সুচতুর ও সাংগঠনিকভাবে রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন এবং আপত্তিকর উক্তি করেছিলেন বলে অপপ্রচার চালানো শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত আছে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা। শুধু বাঙালি হিসেবেই নয়, সমগ্র এশিয়ায় তিনিই সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। রবীন্দ্রনাথ আমাদের গর্ব। সুতরাং, রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে কোনো অপবাদ আমাদের বিচলিত করবেই। আর সেই অপবাদের মাঝে যদি সত্যের কোন ছিটেফোঁটা না থাকে, সেই অপবাদ যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে থাকে, তার মাঝে যদি নিছক বিদ্বেষ, হিংসা ছড়ানোর উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে সত্য অনুসন্ধান ও সত্যটা জানা সবার জন্যে জরুরী হয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অল-ইন্ডিয়া মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্সে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অবাঙালি ব্যারিস্টার সাহেবজাদা আফতাব আহমেদ খাঁ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি সর্বপ্রথম উত্থাপন করেন। ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ তিন দিনের সফরে ঢাকা আসেন। ৩১ জানুয়ারি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর নেতৃত্বে পূর্ববঙ্গ এবং আসামের উনিশ সদস্যের মুসলিম সামাজিক-রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গড়া একটি বড় প্রতিনিধিদল লর্ড হার্ডিঞ্জের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পূর্ববঙ্গের অন্যান্য দাবি-দাওয়ার সাথে তাঁরা অন্যতম প্রধান দাবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। উল্লেখ্য বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার প্রক্কালে ব্রিটিশ সরকার পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি পূর্ববঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ২রা ফেব্রুয়ারি, ১৯১২ তারিখে লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

লর্ড হার্ডিঞ্জের ঘোষণার পর কলকাতার রাজনীতি ও বুদ্ধিজীবী মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন আইনজীবী ও শিক্ষাবিদ ড. রাসবিহারী ঘোষ এবং তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবিরা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের এমনকি পূর্ববঙ্গের বেশ কিছু মুসলিম বুদ্ধিজীবীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন, মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ  (দেশ ভাগের পর তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগের সভাপতি হন), ব্যারিস্টার আব্দুর রসুল (জন্মস্থান পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং তৎকালীন দি মুসলমান পত্রিকার সম্পাদক), মৌলভি আবুল কাশেম (মৌলভি আবুল কাশেম-এর আপন ছেলের ঘরের নাতি হলেন বাংলাদেশের সুপরিচিত বামপন্থি লেখক ও প্রাবন্ধিক বদরুদ্দীন উমর), মাওলানা লিয়াকত হোসেন এবং আরও অনেকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণার ১৫ দিনের মাথায় অর্থাৎ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯১২ সালে ড. রাসবিহারী ঘোষ এবং স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল লর্ড হার্ডিঞ্জের সাথে সাক্ষাৎ করে ১০১ জন বুদ্ধিজীবীর স্বাক্ষর করা স্মারকলিপি লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে প্রদান করেন। এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয়, রবীন্দ্রনাথ যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করতেন তাহলে এই ১০১ জন বুদ্ধিজীবির মধ্যে রবীন্দ্রনাথ থাকতেন এবং এক নম্বরেই থাকতো রবীন্দ্রনাথের নাম। আর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব তিনিই দিতেন। রবীন্দ্রনাথের চেয়ে আর বড় বুদ্ধিজীবি তখন কে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে? অথচ স্মারকলিপির কোথাও রবীন্দ্রনাথের নাম ও স্বাক্ষর ছিলনা।

২৮ মার্চের জনসভা ও রবীন্দ্রনাথের অবস্থান:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় কলকাতার গড়ের মাঠের জনসভা অনুষ্ঠিত হয় ১৯১২ সালের ২৮ মার্চ। উল্লেখ্য, এই সময়ের আগেই রবীন্দ্রনাথ লন্ডন যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ মুম্বাই থেকে লন্ডনের ১৯ মার্চের জাহাজের টিকিট কিনেন। কিন্তু, রবীন্দ্রনাথের স্বাস্থ্যগত কারণে জাহাজযোগে এতো দূরের যাত্রা ঠিক হবেনা বলে ডাক্তারের পরামর্শে তিনি লন্ডন যাত্রার টিকিট ফেরত দেন। তার পরিবর্তে তিনি বিশ্রামের উদ্দেশ্যে ২৪ মার্চ কুষ্টিয়ার শিলাইদহের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এপ্রিলের ১২ তারিখ পর্যন্ত তিনি শিলাইদহে অবস্থান করেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সব লেখাতেই তারিখ এবং স্থান উল্লেখ করতেন। ২৫ মার্চ শিলাইদহ থেকে মৌচাক সম্পাদকের বোন কদম্বিনী দত্তকে লেখা চিঠি, ২৭ মার্চ শিলাইদহে রচিত বিখ্যাত গান, ‘আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ’, ২৮ মার্চ সন্তানদের গৃহশিক্ষককে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করা স্থান ও তারিখই নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে ২৮ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহেই অবস্থান করছিলেন। শিলাইদহে এই সময়ের অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ অনেক বিখ্যাত গান, কবিতা রচনা করেন। সবগুলোতেই স্থান ও তারিখ লেখা রয়েছে। এই সময়ে কবি ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের অনেকাংশ সম্পন্ন করেন। সুতরাং, ২৮ মার্চ কলকাতার গড়ের মাঠের জনসভায় রবীন্দ্রনাথের সভাপত্বি করা, উপস্থিতি এবং বক্তৃতায় আপত্তিকর উক্তি করা সবই মিথ্যা দাবি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় রবীন্দ্রনাথের যদি সভাপত্বি করার কথা থাকতো, সম্পৃক্ততা থাকতো তাহলে তিনি লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনা বা টিকিটই কিনতেন না এবং সভার মাত্র চার দিন আগে শিলাইদহে যেতেন না।

পরবর্তী ইতিহাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সাথে কবির সম্পর্ক:

১৯২৬ সালের প্রথমার্ধে রবীন্দ্রনাথকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একই সময়ে ঢাকার নবাব পরিবারের তরফ থেকেও কবিকে ঢাকা সফরের জন্য দূত পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কবি দুটি আমন্ত্রণই সাদরে গ্রহণ করেন। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ কবি নয় দিনের সফরে ঢাকায় আসেন। সফরের প্রথম তিন দিন কবি রাজকীয় অতিথি হিসেবে বুড়িগঙ্গায় নবাবদের ভাসমান রাজকীয় বজরা ‘তুুুরাগ’-এ অবস্থান করেন। পরবর্তী কয়েকদিন তিনি তৎকালীন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষের বাংলোতে অবস্থান করেন। ঢাকা সফরের সময় কবিকে নবাবদের তরফ থেকে বুড়িগঙ্গার তীরে রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। নবাব হাবিবুল্লাহ নিজে কবির হাতে মানপত্র তুলে দেন। ঢাকার নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও কবিকে সংবর্ধণা দেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের পক্ষ থেকে কার্জন হলে কবিকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধণা দেয়া হয়, যেখানে কবি আলাদা দুটি অনুষ্ঠানে ‘দি মিনিং অব আর্ট’ এবং ‘সাহিত্যের স্বরূপ’ শীর্ষক তাঁর দুটি বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ‘মুসলিম হল’ বর্তমান ‘স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হল’-এর পক্ষ থেকেও কবিকে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং তাঁকে হল সংসদের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালে কবিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি দেয়া হয়।

যে নবাব পরিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করলে তাঁরা কি রবীন্দ্রনাথকে আমন্ত্রণ জানাতেন? তাঁকে রাজকীয় সংবর্ধণা দিতেন? নবাব নিজ হাতে মানপত্র কবিকে তুলে দিতেন? কবি কি নবাবদের রাজকীয় বজরায় অবস্থান করতেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ কি রবীন্দ্রনাথকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধণা দিত? তখনকার মুসলিম হলের, যার প্রাধ্যক্ষ থেকে ছাত্র সবাই ছিলেন মুসলমান, তাঁরা কি কবিকে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা ও আজীবন সদস্যপদে সম্মানিত করতেন? বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করত? সবগুলো প্রশ্নের উত্তর যদি আমরা বিশ্লেষণ করি, তাহলে সহজেই বুঝব রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে অপবাদ কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন এই দাবিটি কতটা মিথ্যা, বানোয়াট আর প্রকৃত সত্য থেকে কতটা দূরে।