২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর থেকে বিশ্ববাসীর আস্থা ও বিশ্বাস পুরোপুরি হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 23 Sep 2026, 10:38 AM

Updated : 23 Sep 2026, 10:38 AM

বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর থেকে বিশ্ববাসীর আস্থা ও বিশ্বাস পুরোপুরি হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর টেলিগ্রাম চ্যানেলে তার এ বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর শীর্ষ এই ইরানি কূটনীতিক এ মন্তব্য করেন।

টেলিগ্রামে আরাকচি লেখেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী আমাদের বিরুদ্ধে যে কাপুরুষোচিত যুদ্ধ চালিয়েছে, তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ এবং প্রকৃতপক্ষে এখনও বহাল থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই এই সফরটি হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “স্বভাবতই আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল এই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ইরানি জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা।”

বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে মন্তব্য করে আরাকচি জানান, মঙ্গলবার শুরু হওয়া সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারায় সংস্থাটির ওপর থেকে যে আস্থা হ্রাস পেয়েছে কিংবা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে, এই প্রতিপাদ্য তারই এক বৈশ্বিক স্বীকৃতি।”

আরাকচির অভিযোগ, কিছু দেশ আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আইন এবং এমনকি মানবজাতির যৌথ বিবেককে উপেক্ষা করে নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বসিয়েছে এবং নিজেদের ও মিত্রদের জন্য দায়মুক্তি দাবি করছে।

তিনি বলেন, “এর ফলে আমরা দেখছি, জায়নবাদী শাসনের মত একটি অপরাধী গোষ্ঠীকে ইচ্ছেমত যে কোনো অপরাধ করতে অবাধ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে দাবি করা পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।”