চীনে বন্যায় ১৪ জনের মৃত্যু
টাইফু ডকসুরির প্রভাবে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে চীনজুড়ে মোট কতোজনের মৃত্যু হয়েছে কর্তৃপক্ষ তা এখনও জানায়নি।
টাইফুন ডকসুরির প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিতে চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশের শহর শুলানে দেখা দেওয়া বন্যায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে টাইফুনটি দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ফুজিয়ানের উপকূল দিয়ে সাগর থেকে স্থলে উঠে এসেছিল। তারপর থেকে চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চল, রাজধানী বেইজিং ও হেবেইতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও বন্যা হয়েছে।
গত সপ্তাহে বেইজিং ও হেবেইতে ২০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এরপর শনি ও রোববার শুলানে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হল। সবমিলিয়ে প্রাকৃতিক এসব দুর্যোগে পুরো দেশজুড়ে মোট কতোজনের মৃত্যু হয়েছে চীনের কর্তৃপক্ষ তা এখনও জানায়নি বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
রোববার রাতে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, পৌনে ছয় লাখ বাসিন্দার শুলানে মৃতদের মধ্যে তিন কর্মকর্তা রয়েছেন। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে শহরটির ভাইস মেয়রও আছেন।
গণমাধ্যমটি আরও জানায়, শহরটির বন্যার পানি হ্রাস পেয়ে নিরাপদ স্তরে নেমেছে। এরপর জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ উদ্যোগ জোরদার করা হয় এবং দুর্গত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করাও শুরু হয়েছে।
চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী সংহুয়ার কয়েকটি অংশে এবং এর উপনদী নেনজাং এর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বলে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জিলিনের উত্তরের প্রতিবেশী হেইলংজিয়াং প্রদেশের রাজধানী হারবিনের দক্ষিণে এবং নিকটবর্তী শহর মিউদানচিয়াং, জিলিনের উত্তরাঞ্চলে এবং পাশ্র্ববর্তী ইয়ানবিয়ানে গত পাঁচ দিনে প্রায় ১০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
