১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্তর কোরিয়ায় খাদ্যঘাটতির শঙ্কার মধ্যে জরুরি বৈঠক কিমের

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা এবং কোভিড-১৯ লকডাউনের কারণে খাদ্য সংকট পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ায় খাদ্যঘাটতির শঙ্কার মধ্যে জরুরি বৈঠক কিমের

কিম-জং-উন। ছবি: রয়টার্স

রয়টার্স

Published : 27 Feb 2023, 03:29 PM

Updated : 27 Feb 2023, 05:42 PM

উত্তর কোরিয়ায় খাদ্যঘাটতি এবং মানবিক সংকট বেড়ে যাওয়ার শঙ্কার মধ্যে দেশের অর্থনীতি এবং কৃষিখাতের উন্নয়নে ক্ষমতাসীন দলের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক শুরু করেছেন নেতা কিম জং উন।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা এবং কোভিড-১৯ লকডাউনের কারণে খাদ্য সংকট পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, ওয়ার্কার্স পার্টির অব কোরিয়ার অষ্টম সেন্ট্রাল কমিটির সপ্তম পূর্ণাঙ্গ বর্ধিত বৈঠকে রোববার সভাপতিত্ব করেছেন কিম। পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা হয়েছে।

বৈঠক এখনও চলছে। কৃষি উন্নয়নের সঠিক কৌশল নির্ধারণে এ বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি বলে উল্লেখ করেছে কেসিএনএ।

উত্তর কোরিয়ার খাদ্য সংকট পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার কথা গত ১৫ ফেব্রুয়ারিতেই জানিয়েছিল দক্ষিণ কোয়িরা।

এরই মধ্যে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমের এই জরুরি বৈঠকে বসাটা কার্যত দেশটির মারাত্মক খাদ্য ঘাটতির কথা স্বীকার করে নেওয়া হিসাবেই ইঙ্গিত করছেন সিউলের কর্মকর্তারা।

বন্যার মত নানা প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে উত্তর কোরিয়ায় গত কয়েক দশক ধরেই খাদ্য সংকট চলছে। দেশটিতে ১৯৯০ এর দশকে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল।

তারপর থেকে বর্তমানে দেশটিতে খাদ্যের সহজলভ্যতা মানুষের নূন্যতম চাহিদা মেটানোর পর্যায়েও নেই বলে গত মাসে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল উত্তর কোরিয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ৩৮ নর্থ প্রোগ্রাম।

 প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশপাশি বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে নানা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কবলেও রয়েছে। যা দেশটির অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলেছে।

তার ওপর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোভিড-১৯ মহামারী ঠেকাতে উত্তর কোরিয়া লকডাউন আরোপ করায় দেশটিতে সীমিত পরিসরে চালু থাকা সীমান্ত বাণিজ্যও আরও অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে।

পুরানো খবর:

তীব্র খাদ্য সংকটে উত্তর কোরিয়া, বলছে দক্ষিণ কোরিয়া