Published : 23 Mar 2026, 04:26 PM
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন ফের দেশটির ‘প্রেসিডেন্ট অব স্টেট অ্যাফেয়ার্স’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগের দিন রোববার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে দেশটির পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত ‘সর্বোচ্চ গণপরিষদের’র প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই অধিবেশনেই কিমকে তার বর্তমান পদে পুনর্নিয়োগ করা হয়।
রয়টার্স লিখেছে, পিয়ংইয়ংয়ের এই অধিবেশনে সোমবার সমাজতান্ত্রিক সংবিধানের সংশোধন ও সংযোজন এবং স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
উত্তর কোরিয়ার এই পার্লামেন্ট সাধারণত ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেসের সিদ্ধান্তগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে রূপান্তর করে থাকে।
কেসিএনএ জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নবম পার্টি কংগ্রেসে ঘোষিত দেশটির অর্থনৈতিক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও এই অধিবেশনে পর্যালোচনা করা হবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্লেশকদের নজর এখন পিয়ংইয়ংয়ের সংবিধান সংশোধনের দিকে। দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রে কিমের ‘দুই শত্রু রাষ্ট্র’ নীতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, পর্যবেক্ষকরা তা দেখার অপেক্ষায়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিম দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের দীর্ঘ লক্ষ্য ত্যাগ করেছেন এবং দেশটিকে একটা ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে নতুন ভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
এদিকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বদানকারী সংস্থা ‘স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশন’-এর সদস্যদের তালিকায় কিম জং উনের অত্যন্ত প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং-এর নাম না থাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মিনিস্ট্রি জানিয়েছে, কেন তার নাম তালিকায় নেই তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তালিকায় নাম না থাকা মানে এই নয় যে ইয়ো জংয়ের প্রভাব কমে গেছে।
কিয়ংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর বলেন, ইয়ো জং ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে এখনও প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে দলকেন্দ্রিক উচ্চতর কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেন।