Published : 26 May 2025, 12:38 PM
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কেডস ও টি-শার্টস নয়, তার শুল্ক নীতির লক্ষ্য সামরিক ও প্রযুক্তি পণ্যের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানো।
রোববার নিউ জার্সিতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ২৯ এপ্রিলে করা মন্তব্যের সঙ্গে একমত যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘টেক্সটাইল শিল্পের দ্রুত বিকাশের’ প্রয়োজন নেই।
ওই সময় বেসেন্টের এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্সিল অব টেক্সটাইল অর্গানাইজেশনের সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা কেডস ও টি-শার্টস তৈরি করতে চাই না। আমরা সামরিক উপকরণ তৈরি করতে চাই। আমরা বড় জিনিস তৈরি করতে চাই। আমরা এআইয়ের মতো জিনিস তৈরি করতে চাই।
“সত্যি বলতে আমি টি-শার্টস বানাতে চাচ্ছি না। আমি মোজাও বানাতে চাচ্ছি না। অন্য কোথাও আমরা এগুলো খুব ভালোভাবে বানাতে পারবো। আমরা চিপ আর কম্পিউটার এবং আরও অনেক কিছু বানাতে চাই, ট্যাঙ্ক আর জাহাজ।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকান অ্যাপারেল এন্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (এএপিএ) বলেছে, এই শিল্পের জন্য শুল্ক ভালো না।
এএপিএ-র সভাপতি স্টিভ লামার এক বিবৃতিতে বলেছেন, “৯৭ শতাংশ জামাকাপড় ও জুতা যেখানে আমদানি হয় সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এগুলো ইতোমধ্যেই সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করা শিল্পে পরিণত হয়েছে। আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের সমাধানের দিকে নজর দেওয়া দরকার।
“আরও শুল্ক মানে হচ্ছে মার্কিন উৎপাদকদের জন্য আরও বেশি উৎপাদন খরচ আর উচ্চ মূল্য যা কম আয়ের ভোক্তাদের ক্ষতি করবে।”
মার্কিন উৎপাদন খাতে চাকরি হারানোর কারণে দেশটির শ্রমিক শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই শ্রেণির ভোটারদের কাছে চাকরির বাজার ফিরিয়ে আনার ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি তার ২০১৬ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ে ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।
ট্রাম্পর তার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আমদানির ওপর শুল্প আরোপ করেছেন এবং মার্কিন কোম্পানি ও বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর বিনিয়োগের ঘোষণা দিচ্ছেন। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এখনও অন্যান্য দেশের সঙ্গে বিরাজমান সরবরাহ চেইনের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির টেক্সটাইলসহ অনেক পণ্যই কম খরচে অন্য দেশে তৈরি হয়।