১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রমজানে আল আকসায় প্রবেশ করতে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে ইসরায়েল

ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা। যে মসজিদ ঘিরে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে। স্থানটি ইহুদিদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র।

রয়টার্স

Published : 29 Feb 2024, 09:41 PM

Updated : 29 Feb 2024, 09:41 PM

ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা পবিত্র রমজান মাসে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে প্রার্থনার জন্য প্রবেশের সম্ভাব্য বিধিনিষেধের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারের একজন মুখপাত্র।

ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা। যে মসজিদ ঘিরে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে। স্থানটি ইহুদিদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র। কারণ, সেখানে তাদের দুইটি প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।

আল আসকায় প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে। যা নিয়ে বিশেষ করে রমজান মাসে প্রায়শই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

গত সপ্তাহে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইটামার বেন-গভির বলেছিলেন, ইসরায়েলের ১৮ শতাংশ মুসলমান সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্য কোটার ভিত্তিতে আল আকসা মসজিদে শান্তিপূর্ণভাবে প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হবে।

পুরানো খবর:

জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে ফের সহিংসতা

পুরানো খবর:

রমজানে আল-আকসা মসজিদ অভিমুখে পদযাত্রার ডাক হামাসের

যা ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলের চাপকে আরও জটিল করে তুলবে। গত বছর ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। হামাস যে আক্রমণের নাম দেয় ‘আল আকসা ফ্লাড’।  হামাসের ওই হামলার প্রতিশোধ

নিতেই গাজা যুদ্ধ শুরু হয়। গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের একটি বড় অংশ শিশু ও নারী।

গাজা যুদ্ধের মধ্যে অবরুদ্ধ আল আকসা মসজিদে মুসলমানদের নামাজ পড়তে প্রবেশ করতে দেওয়ার বিষয়ে গত সপ্তাহে বেন-গভির যে বক্তব্য দিয়েছেন বুধবার তা উড়িয়ে দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু।

দেশটির অন্যতম শীর্ষ টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েলভ টিভি তে সে খবর প্রকাশ পায় বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

পরদিন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সরকারের মুখপাত্র আভি হিমান বলেন, “আল আকসার টেম্পল মাউন্টে প্রার্থনা করতে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট বিষয়টি নিয়ে এখনো মন্ত্রিসভায় আলোচনা হচ্ছে।”

নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য এবং সর্বপরি মানুষের প্রার্থনা করার স্বাধীনতার অধিকারের বিষয়টি মাথায় রেখে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে রয়টার্স থেকে বেন-গভিরের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু সাড়া মেলেনি।

তবে বুধবার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এ এক পোস্টে লেখেন, তার কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে যে কোনো কর্মকাণ্ডের প্রচেষ্টা ‘সন্ত্রাসের কাছে আত্মসমর্পণ’ বলে গণ্য হবে এবং তিনি নেতানিয়াহুকে চ্যানেল টুয়েলভ এ প্রচারিত প্রতিবেদন অস্বীকার করার আহ্বানও জানিয়েছেন।