Published : 27 Jun 2025, 10:22 PM
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আয়োজনে আগামী ১ জুলাইয়ে ওয়াশিংটন ডিসি-তে বৈঠকে বসতে চলেছে ‘কোয়াড’ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলো।
কোয়াড এর দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র। একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় (ইন্দো-প্যাসিফিক) অঞ্চল নিশ্চিত করার চেষ্টা জোরদার করা বৈঠকের লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রবিভাগ একথা জানিয়েছে। রুবিও এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে প্রথম কোয়াড বৈঠক করেন গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ডনাল্ড ট্রাম্প শপথ গ্রহণের পর।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উপমুখপাত্র টমি পিগোট বলেন, রুবিও তার প্রথম কূটনৈতিক বৈটক কোয়াডের সঙ্গেই করেছিলেন। সেই বৈঠকের ধারাবাহিকতায়ই অবাধ ও মুক্ত ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় (ইন্দো-প্যাসিফিক) অঞ্চলের লক্ষ্য এগিয়ে নিতে আগামী সপ্তাহের বৈঠক হবে।
জানুয়ারির বৈঠকে কোয়াড মন্ত্রীরা একযোগে কাজ করতে নতুন করে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং ভারতে ভবিষ্যত কোয়াড বৈঠকের প্রস্তুতির জন্য কর্মকর্তারা নিয়মিত সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। ভারতে এই বৈঠক হবে পারে এ বছরের শেষের দিকে।
কোয়াডের চার দেশ চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনকে মোকাবেলা করা ট্রাম্পের শীর্ষ অগ্রাধিকার- সে সংকেত দিতেই আয়োজন করা হয়েছিল গত জানুয়ারির কোয়াড বৈঠক।
তবে এরপর ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ব্যস্ত হয়েছেন, ইউক্রেইন যুদ্ধ বন্ধে সফল হননি, আবার কোয়াড পার্টনারদের সঙ্গেও ট্রাম্পের আগাসী শুল্কনীতির কারণে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউরোপে সদ্যই হয়ে যাওয়া নেটো সম্মেলনে এবার যোগ দেয়নি জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলো। এতে ভবিষ্যত আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত সপ্তাহে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকায় বলা হয়, জাপান ১ জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষাদপ্তরের সঙ্গে মন্ত্রীদের নির্ধারিত বার্ষিক বৈঠক বাতিল করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র জাপানকে প্রতিরক্ষাব্যয় আগের চেয়ে বেশি বাড়াতে বলার পর দেশটি এ পদক্ষেপ নেয়। আবার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গেও অকাস চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিরোধে জড়িয়ে আছে।