Published : 26 Jan 2024, 05:09 PM
ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তার বাহিনী পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাখমুতের দক্ষিণ প্রান্তে একটি গ্রাম রাশিয়র হাত থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।
রোববার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, “আজ আমি বিশেষভাবে সেই সেনাদের প্রশংসা করতে চাই, যারা ধাপে ধাপে ইউক্রেইনের অঞ্চলগুলো ফিরিয়ে আনছেন, যেমন বাখমুত অঞ্চলে।”
ইউক্রেইনীয় বাহিনীর ৮০তম এয়ারবোর্ন অ্যাসাল্ট ব্রিগেড, পঞ্চম অ্যাসাল্ট ব্রিগেড, ‘গ্লোরিয়াস ৯৫তম’ এবং পুলিশের একটি অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এই কৃতিত্ব দেখিয়েছে বলে জানান প্রেসিডেন্ট। ‘সফল’ এই ইউনিটগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
জুনে ইউক্রেইনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার দখলদার বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করার পর থেকে রুশ বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করতে হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেইনের বাহিনীগুলো। তার মধ্যেই বাখমুতের নিকটবর্তী ক্ষুদ্র গ্রাম আন্দ্রিইভকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলে শুক্রবার জানায় কিইভ। এরপর রোববার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম ক্লিশ্চিয়েভকা পুনরুদ্ধারের দাবি জানাল দেশটি।
ইউক্রেইনের বাহিনীগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের শীর্ষে তাদের নীল-হলুদ জাতীয় পতাকা উড়িয়ে দিয়েছে। টেলিগ্রাম অ্যাপে সেই ভিডিও পোস্ট করেছেন অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ইউক্রেইনের স্থল বাহিনীর কমান্ডার অলেকজান্দার সুরস্কি। তিনি বলেছেন, “রুশদের কবল থেকে ক্লিশ্চিয়েভকাকে মুক্ত করা হয়েছে।”
ক্লিশ্চিয়েভকা গ্রামটি বাখমুত শহর থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিসহ ইউক্রেইনীয়দের এসব দাবি সত্য হলে পাল্টা অভিযানে তিন দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল তারা।
কিইভের এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মস্কো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। কয়েক মাস ধরে টানা তীব্র লড়াই চলার পর মে মাসে বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ নেয় রুশ বাহিনী।
সংবাদ সূত্র: রয়টার্স
(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)