১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

খনিজ চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেইনের উপ-প্রধানমন্ত্রী এক্সে লেখেন, আলোচনা খুবই গঠনমূলক হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খুঁটিনাটি বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে।

খনিজ চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্র
ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ২৪

রয়টার্স

Published : 24 Feb 2025, 07:30 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:53 AM

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেইন খনিজ সম্পদ নিয়ে একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেইনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

সোমবার ইউক্রেইনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলহা স্টেফানিশিনা এক্সে লেখেন, “আলোচনা খুবই গঠনমূলক হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খুঁটিনাটি বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে।”

এই চুক্তিকে ইউক্রেইনে রাশিয়ার তিন বছরের যুদ্ধ অবসানের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবেই দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেইনের জন্য সামরিক সহায়তা বজায় রাখার বিনিময়ে দেশটির খনিজ সম্পদ চায়।

তবে ইউক্রেইন খনিজ সম্পদ দেওয়ার বিনিময়ে চায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। গত সপ্তাহে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজার কোটি ডলারের খনিজ সম্পদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, এই বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদের বিনিময়ে প্রস্তাবে (ইউক্রেইনের) নিরাপত্তার কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। “আমি আমাদের দেশকে বিক্রি করে দিতে পারি না।”

এখন দুই পক্ষ একটি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলেই মনে হচ্ছে। তবে বিবিসি জানায়, এ চুক্তি অনুযায়ী কী কী খনিজ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রই বা সাহায্য কতটুকু বহাল রাখবে আর ইউক্রেইনের জন্য ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তাটাই বা কেমন হবে তা এখনও জানা যায়নি।

ইউক্রেইনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলহা স্টেফানিশিনা লিখেছেন, “আমরা আশা করছি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেইনের নেতারা শিগগিরই ওয়াশিংটনে চুক্তিটি অনুমোদন এবং সই করতে পারেন।”

ইউক্রেইনের আছে লিথিয়াম এবং টাইটেনিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব খনিজ সম্পদ। আরও আছে প্রচুর কয়লা, গ্যাস, তেল ও ইউরেনিয়ামের কোটি কোটি ডলার মূল্যের খনি।

গত বছর জেলেনস্কি ইউক্রেইন ও এর পশ্চিমা মিত্রদের জন্য যুদ্ধ জয়ের একটি পরিকল্পনা দিয়েছিলেন। তাতে বিদেশি ফার্মগুলোকে যুদ্ধ শেষে ইউক্রেইনের কিছু খনিজ সম্পদ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল।

তাতে বলা হয়েছিল, কৌশলগত মিত্ররা ইউক্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ যৌথভাবে সুরক্ষিত রাখাসহ যৌথ বিনিয়োগ এবং এই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একটি বিশেষ চুক্তি গ্রহণ করতে পারে।