১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গাজায় শান্তিরক্ষা অভিযানের জন্য জুনের মধ্যে ৮,০০০ সেনা প্রস্তুত রাখবে ইন্দোনেশিয়া

গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ এই মিশনে ইন্দোনেশিয়াই প্রথম সেনা পাঠানোর বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রতি দিল।

গাজায় শান্তিরক্ষা অভিযানের জন্য জুনের মধ্যে ৮,০০০ সেনা প্রস্তুত রাখবে ইন্দোনেশিয়া
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Feb 2026, 07:05 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:58 PM

ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, গাজায় মানবিক ও শান্তিরক্ষা অভিযানের জন্য আগামী জুন মাসের শেষ নাগাদ ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত হয়ে যাবে। 

গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ এই মিশনে ইন্দোনেশিয়াই প্রথম সেনা পাঠানোর বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রতি দিল।

দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডনি প্রামোয়ো বলেন,  ইন্দোনেশিয়ার টিএনআই নামে পরিচিত জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রস্তাবিত সেনা কাঠামো এবং গাজায় সেনাদের যাওয়ার সময়সূচি চূড়ান্ত করে ফেলেছে। যদিও সরকার এখনও সেনা মোতায়েন কখন করা হবে তা জানায়নি।

প্রামোয়ো বলেন, “নীতিগতভাবে আমরা যে কোনও খানেই মিশনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। আমাদের সেনারা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং সরকার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়ে দিলে স্বল্প সময়ের নোটিশেই তাদেরকে পাঠানো যাবে।”

১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সামরিক বাহিনী ৮ হাজার কর্মকর্তার কটি মিশ্র বিগেড প্রস্তুত করেছে বলে জানান প্রামোয়ো।

তিনি বলেন, সময়সূচি অনুযায়ী, সেনারা চলতি মাসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং কাগজপত্র ঠিকঠাক করার কাজ করবে। এরপর মাস শেষে গোটা বাহিনীর প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হবে।

প্রামোয়ো আরও জানান, আগাম সেনাদল হিসবে প্রায় ১ হাজার সদস্য এপ্রিলের মধ্যেই গাজায় যেতে প্রস্তুত রয়েছে। আর বাকীরা যাবে জুন নাগাদ।

তবে তিনি বলেন, সেনারা প্রস্তুত মানেই তারা গাজায় রওনা হবে এমন নয়। এর আগে সেনাদের গাজায় যাওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন পড়বে এবং আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার ওপরই এটি নির্ভর করবে।

ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় তাদের ভূমিকা হবে কেবলই মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা। যেমন: নাগরিকদেরকে সুরক্ষা দেওয়া, চিকিৎসা সেবা দেওয়া, পুনর্গঠনে কাজ করা। 

তাদের সেনারা কোনও যুদ্ধাভিযানে অংশ নেবে না কিংবা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর মতো কোনও কাজ করবে না।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ। ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের কোনও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। দেশটি দীর্ঘদিন থেকেই মধ্যপ্রাচ্য সংকটের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরাল সমর্থক।

সূত্র: পলিটিকো।