Published : 16 Nov 2025, 07:13 PM
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা রাজ্যের শার্লট শহরে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে শনিবার অভিযান চালানো শুরু করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এ খবর জানিয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের অঞ্চলে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে অভিযান বিস্তৃত হল।
এক বিবৃতিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দপ্তরের (ডিএইচএস) মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেছেন, “আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তায় হুমকি দূর করতে আমরা শার্লটে ডিএইচএস এর আইন প্রয়োগ জোরদার করছি।”
“এখানে অবৈধ ভিনদেশি অপরাধীদের শিকার অনেক অনেক মানুষ আছে।” যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা তদারককারী ডিএইচএস অবৈধ অভিবাসীনবিরোধী এই অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ দেয়নি।
কতজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা অভিযানে অংশ নিয়েছেন কিংবা কতজন আটক হয়েছে সে সংখ্যাও জানানো হয়নি।
তবে সংস্থাটি নর্থ ক্যারোলাইনার কর্মকর্তাদেরকে দোষারোপ করে বলেছে যে, অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে সন্দেহভাজনদের আটক করতে দিতে এই কর্মকর্তাদের অস্বীকৃতির কারণেই শনিবার ওই অভিযান চালানো হয়।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দপ্তর (ডিএইচএস) অভিযোগ করে বলেছে, নর্থ ক্যারোলাইনা রাজ্য সরকার ১৪০০ সন্দেহভাজনকে ৪৮ ঘণ্টা আটকে রাখার ফেডারেল সরকারের অনুরোধ রক্ষা করেনি।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নর্থ ক্যারোলাইনার গভর্নর অফিস এবং শার্লট-মেকলেনবার্গ কাউন্টি পুলিশ বিভাগ তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করেনি।
শার্লটের ডেমোক্র্যাট মেয়র ভি লাইলস এবং শহরের কমিশনাররা শনিবার বাসিন্দাদেরকে শার্লট ও মেকলেনবার্গ কাউন্টি পুলিশ বিভাগের কাছেও সহায়তা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ, স্থানীয় পুলিশ ফেডারেল কর্তৃপক্ষের অভিযানে অংশগ্রহণ নিচ্ছে না।
নগরীর কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “অভিবাসনের বিষয়ে আইনি নির্দেশনা চাওয়া ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত বহু সংস্থা রয়েছে।”
অবৈধ অভিবাসন-বিরোধী অভিযান শার্লটে ভয় এবং অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে জানিয়ে এই কর্মকর্তারা বলেছেন, অন্যান্য শহরে একই ধরনের অভিযানে অপরাধের কোনও রেকর্ড ছাড়াই লোকজনকে আটক করার ফলে এই ভীতি সঞ্চার হচ্ছে।
স্থানীয় নেতারা এ সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন,শনিবার থেকে ফেডারেল অভিযান শুরু হবে সেটি তাদেরকে জানানো হয়েছিল।
মার্কিন ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি আলমা অ্যাডামস গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি শার্লটে সীমান্ত টহল এবং আইসিই কর্মীদের আগমন নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি লেখেন, “শার্লটের অভিবাসী সম্প্রদায় কুইন সিটির একটি গর্বিত অংশ। আমি চুপচাপ বসে থেকে আমার নির্বাচকমন্ডলীদের ভীত সন্ত্রস্ত কিংবা হয়রানি হতে দেখব না।”