১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

জিওনবুক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

দক্ষিণ কোরিয়ার জেওনজু রাজ্যে এ আয়োজন করেন প্রবাসীরা।

বিডিনিউজ২৪

রিমন আল মাহদী, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jun 2026, 05:03 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:29 PM

দক্ষিণ কোরিয়ার জিওনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (জেবিএনইউ) অধ্যয়নরত নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ‘ফ্রেশার্স রিসেপশন’ করেছেন দেশটির জেওনজু রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মিলনায়তনে চলতি শিক্ষাবর্ষের মার্চ সেশনে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান তারা।

অনুষ্ঠানে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।

জিওনবুক ব্যাংকের বাংলাদেশ বিষয়ক প্রতিনিধি জাওয়াদ-উল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও পরিচয় পর্বের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি ছিলেন জিওনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফিজিক্যাল এআই বিভাগের অধ্যাপক শাহির হোসেন। 

নবীনদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়া অফুরন্ত সুযোগের দেশ। এখানে সফল হতে হলে একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি, আইন ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বিশেষ করে ট্রাফিক আইনসহ নাগরিক দায়িত্ব পালন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কর্তব্য। বিদেশের মাটিতে একজন শিক্ষার্থীর আচরণ তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের পাশাপাশি নিজ দেশকেও প্রতিনিধিত্ব করে।”

জেওনজু বাংলাদেশি কমিউনিটির সভাপতি নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের কমিউনিটির মূল লক্ষ্য হলো নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য সহযোগিতামূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। প্রবাসের মাটিতে কেউ যেন নিজেকে একা মনে না করে, সে বিষয়ে আমরা সবসময় সজাগ থাকি।”

সংগঠনের সহ-সভাপতি এমডি মাহফুজ রহমান শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্কিং ও সময় ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন। সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন ফাহিম কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে নতুনদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। 

এছাড়া সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার কৌশলগুলো আলোচনা করেন।

নবীন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।