Published : 02 May 2026, 05:20 PM
যুক্তরাষ্ট্র ‘কোনো চুক্তি বা সন্ধির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় বলে প্রমাণ দেখা যাচ্ছে’, যে কারণে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ‘সম্ভবত’ ফের শুরু হবে, এমনই ধারণা করছে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সশস্ত্র বাহিনী।
“মূলত সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি কাড়ার লক্ষ্যেই মার্কিন কর্মকর্তাদের এসব পদক্ষেপ ও বিবৃতি, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রথমত তেলের দাম যেন না পড়ে তা আটকানো এবং দ্বিতীয়ত সেই বিশৃঙ্খলা থেকে বেরিয়ে আসা যা তারা নিজেরাই সৃষ্টি করেছে,” এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক সদরদপ্তরের উপপ্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ফার্স।
“আমেরিকানদের যে কোনো নতুন দুঃসাহস বা বোকামির জন্য ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত,” বলেছেন তিনি।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম এশিয়া ছেড়ে চলে যাওয়ার ওপরই ‘এ অঞ্চলের দেশগুলোর স্বস্তি, কল্যাণ ও অগ্রগতি’ নির্ভর করছে।
মন্ত্রণালয়টির সংসদীয় বিষয় ও আইন সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালক হোসেইন নওশাবাদি বার্তা সংস্থা ইসনাকে বলেছেন, ভূ-রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক ‘সম্পদের’ ওপর সবসময়ই বিদেশিদের লোলুপ দৃষ্টি ছিল, কিন্তু এই ‘কৌশলগত সম্পদ’ ইরানের ‘পরিচয় ও সভ্যতার’ অংশ।
পর্তুগিজ, ডাচ ও ইংরেজদের পারস্য উপসাগর থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার ‘বীরত্ব ও ত্যাগের’ ইতিহাস তুলে ধরে তিনি ‘ইরান এখন বিশ্বগ্রাসী আমেরিকার সামরিক দুঃসাহসও মোকাবেলা করবে’ বলে আশ্বাস দেন।