Published : 24 Aug 2025, 11:12 PM
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রেও হামলা করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে রোববার ইসরায়েল সানায় এই হামলা চালায়। গত শুক্রবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল হুতিরা। ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তারা। এর দু’দিন পরই হল এই পাল্টা হামলা।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্র ও এর বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হুতি সন্ত্রাসীদের বারবার হামলার জবাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। হুতিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ ইউএভি (ড্রোন) হামলাও চালিয়েছে।”
ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের হিসাবমতে, ইয়েমেনে রোববারের হামলায় ১০ টির বেশি জঙ্গি বিমান অংশ নিয়েছে। সবচেয়ে দূরের লক্ষ্যবস্তুটি ছিল ইসরায়েল থেকে প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার দূরে।
হুতি নিয়ন্ত্রিত সাবা বার্তা সংস্থা হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং ৫ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার হুতিরা জানিয়েছিল, তারা সর্বশেষ ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গাজার ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ইসরায়েলে এই হামলা চালানো হয়।
এর একদিন পর রোববার ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, হুতিরা সম্ভবত গুচ্ছ বোমা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটি নেমে আসার সময় আকাশেই এর ওয়ারহেড ভেঙে ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বোমা এক শহরের একটি বাড়ির উঠোনে পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়।
“ইয়েমেন থেকে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এবারই প্রথম ছোড়া হয়েছে” বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ওই কর্মকর্তা।
২০২৩ সালে ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়ে এসেছে।
ঘন ঘন ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। এর পাল্টায় ইসরায়েলও ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রত বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়ে এসেছে।