ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় জানাজা শেষে দাফনের জন্য আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ ইরানের মাশহাদে নিয়ে আসা হয়। মরদেহবাহী বিমানটিকে ইরানের একটি যুদ্ধবিমান পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে।