যুদ্ধবিরতি শুরুর পর ইরানি কর্তৃপক্ষ গণগ্রেপ্তার, মৃত্যুদণ্ড ও সামরিক বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে মনোযোগ দিয়েছে।