ভিপিএন সেবা ‘সীমিত করবে’ রাশিয়া
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেইনে আক্রমণ শুরুর পর পশ্চিমা সামাজিক মাধ্যমে রুশ ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকেই দেশটিতে ভিপিএন সেবার চাহিদা বেড়েছে।
দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হতে পারে– এমন করে ‘ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) সেবা বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।
রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সামরিক বাহিনীকে ইউক্রেইন আক্রমণের আদেশ দেওয়ার পর পশ্চিমা সামাজিক মাধ্যমে রুশ ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকেই দেশটিতে ভিপিএন সেবার চাহিদা বেড়েছে।
২০১৭ সালে রাশিয়া একটি আইন জারি করেছিল, যেখানে বিভিন্ন ভিপিইএন সেবাদাতা কোম্পানির ওপর ‘রুশ কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা’ করার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। ওই আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া কনটেন্ট নিষিদ্ধ না করলে ওইসব কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞার খড়্গ ঝুলবে।
গোটা রাশিয়ায় বিস্তৃত পরিসরে ভিপিএন সেবার ব্যবহার রয়েছে। আর‘নিষিদ্ধ কনটেন্ট ও অন্যান্য আপত্তিকর তথ্য’ দেখানো বন্ধ করতে গিয়ে ভিপিএনগুলোর ওপর কতটা কড়াকড়ি আরোপ করা যায়, তা নিয়েও রুশ আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
রাশিয়ার পার্লামেন্ট সদস্য অ্যান্টন কাচেভের দেশটির ডিজিটাল মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেখানে সব ভিপিএন বন্ধের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়েছিল, সেটা করা হলে সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ করতে গিয়ে রুশ নাগরিকরা ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।
জবাবেরাশিয়ারডিজিটালমন্ত্রণালয়বলেছে, বিশেষজ্ঞ কমিশনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে মোবাইল নেটওয়ার্কে কয়েকটি নির্দিষ্ট ভিপিএন সেবা ও প্রোটোকলের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হতে পারে, যেগুলো হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে।
