ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ১৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে ইইউ

প্রকল্পটি ডেটা বিজ্ঞানী এবং এআই বিশেষজ্ঞদের জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা পরবর্তীতে পাঁচ হাজার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 6 Dec 2023, 02:39 PM
Updated : 6 Dec 2023, 02:39 PM

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের আধিপত্য এখন পর্যন্ত মার্কিন কোম্পানিগুলোর হাতে, এমন বাস্তবতায় তাদের ইউরোপীয় প্রতিদন্দীদের জন্য ব্যবসায়িক ক্ষেত্র শক্তিশালী করার একটি প্রকল্পে একশ ৩০ কোটি ডলারের রাষ্ট্রীয় তহবিলে অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন।

ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, দ্যা নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড এবং স্পেন, এই সাতটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ পৃষ্ঠপোষণ করেছে আইপিসিইআই নেক্সট জেনারেশন ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড সার্ভিসেস (আইপিসিইআই  সিস) নামের প্রকল্পটিকে।

এই সাতটি দেশ একশো ৩০ কোটি ডলারের রাষ্ট্রীয় তহবিল প্রদান করবে যা দেড়শো কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে, প্রত্যাশা কমিশনের।

ইউরোপের প্রতিযোগিতা নীতিমালা বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার ডিডিয়ের রেইনডেরস বলেন আইপিসিইআই প্রকল্পটি ডেটা বিজ্ঞানী এবং এআই বিশেষজ্ঞদের জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা পরবর্তীতে পাঁচ হাজার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

“জনগণের অর্থ ব্যয়ে আমাদের অর্থনীতিকে উদ্ভাবনী এবং উৎপাদনমুখী করে গড়ে তোলা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পগুলো সত্যিই কার্যকরী,” যোগ করেন তিনি।

যদি প্রকল্পটি অতিরিক্ত আয় সৃষ্টির মতো সাফল্য লাভ করে তবে কোম্পানিগুলোকে অনুদানের অংশ ফেরত দিতে হবে, প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।

২০২৭ সালের শেষ নাগদ মিলতে পারে প্রাথমিক সাফল্য, উল্লেখ রয়েছে প্রতিবেদনটিতে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ও ডিজিটাল রূপান্তরকে জোরালো করতে গবেষণা, অর্থায়ন এবং বাণিজ্যকে একটি কাঠামোয় আনার মাধ্যমে আইপিসিইআই প্রকল্পগুলোকে নকশা করা হয়েছে।

ব্যাটরি থেকে শুরু করে হাইড্রোজেন, মাইক্রোইলেকট্রনিক্স এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ২০১৮ সাল থেকে ছয়টি আইপিসিইআই প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন।

১৯টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত হয়েছে ইউরোপীয় ক্লাউড কম্পিউটিং প্রকল্পটি, যার মধ্যে রয়েছে অ্যাটোস, ওরেঞ্জ, ডয়েচে টেলিকম, এসএপি, টেলিকম ইতালিয়া এবং টেলিফোনিকা এসপানা।

বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ তিন ক্লাউড কম্পিউটিং জায়ান্ট হচ্ছে অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং গুগল।