২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
রাজনৈতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক। গণমাধ্যম ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, বেকার্সফিল্ড (CSUB)-এর কমিউনিকেশনস বিভাগের চেয়ার হিসেবে দায়িক্ত পালন করছেন। উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। CSUB-এর অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের আগে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, স্যাক্রামেন্টো; মিশিগানের ওকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (IUB) শিক্ষকতা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতক নাসের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি কার্বনডেল থেকে গণযোগাযোগ ও মিডিয়া আর্টস বিষয়ে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগতভাবে একজন সাংবাদিক হিসেবে প্রশিক্ষিত নাসের তার কর্মজীবন শুরু করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস)-এ। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের আগে তিনি বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা, লন্ডনের বাংলা টিভি এবং ঢাকার আমেরিকান সেন্টারেও কাজ করেছেন। বর্তমানে আমেরিকান কমিউনিকেশন জার্নালের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মাঠের কর্মীদের উপেক্ষা করে বিদেশে আশ্রিত ডিজিটাল যোদ্ধাদের অনলাইন অ্যাক্টিভিজম দিয়ে কি আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের পুনরুত্থান সম্ভব? নাকি ভার্চুয়াল রাজনীতির এই ফাঁদ দলটিকে আরও বড় সংকটের দিকে ঠেলে দেবে?
বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে সাংবাদিকদের জেলে বন্দি অবস্থায় পেয়েছে সত্য, কিন্তু সেই পরিস্থিতির দায় এখন তাদের কাঁধেই। বিচারহীনভাবে কাউকে দীর্ঘদিন জেলখানায় আটকে রাখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বন্দুক সংস্কৃতির অবাধ বিচরণ আর রাজনৈতিক মেরুকরণের চরম শিখরে আজ আমেরিকা। ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা কি দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামোর দুর্বলতা প্রকাশ করছে?
একদিকে নেতৃত্ব শূন্যতা, অন্যদিকে মাঠের রাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞার খড়্গ। আওয়ামী লীগ কি পারবে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে, নাকি অন্যের ব্যর্থতার অপেক্ষায় দিন গুনতে গুনতে ফুরিয়ে যাবে তাদের সময়?
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখা কি গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক মানদণ্ডে সঠিক? ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদের সংজ্ঞায়ন এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী?
ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাস থেকে বাংলাদেশের জন্য কোন সতর্কবার্তা অপেক্ষা করছে?