Published : 09 Dec 2025, 07:43 PM
ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি কেবল সামাজিক দায়বদ্ধতা নয়; এটি প্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়িক স্থায়িত্ব, ব্র্যান্ড ইমেজ, গ্রাহক ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার জন্য অপরিহার্য বলে উঠে এসেছে এক কর্মশালায়।
দেশের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে সকলের জন্য সমানভাবে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার জাতীয় পর্যায়ের স্টেকহোল্ডার কর্মশালা আয়োজন করেছে ভিজুয়ালি ইমপেয়ার্ড পিপল’স সোসাইটি (ভিপস) ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।
সিবিএম গ্লোবালের সহায়তায় বেসিস অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সারাদেশ থেকে আসা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা অংশগ্রহণ করেন বলে জানিয়েছে বেসিস।
কর্মশালায় বিভিন্ন সেশনে ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটির আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, ওয়েব ও অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইনে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্র্যাকটিস এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। বিশেষভাবে আলোচনা হয়, কিভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো প্রবীণ, স্বল্পদৃষ্টি, নিউরোডাইভার্জেন্ট ও প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীর জন্য ব্যবহারযোগ্য করা যায়।
দেশে আনুমানিক দুই কোটি বিশ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধিতার সঙ্গে জীবনযাপন করছেন। দ্রুত বর্ধনশীল ডিজিটাল সেবার ক্ষেত্রে এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় ও ব্যবসায়িকভাবে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান বলেন, “এখানে উপস্থিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যে অসাধারণ আইটি দক্ষতা, জ্ঞান ও অদম্য আগ্রহ ধারণ করেন, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”
ভিপস-এর সাবেক সভাপতি ও বার্ডো নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুল হক বলেন, “অ্যাক্সেসিবল ডিজিটাল পরিবেশ বিনির্মাণ আজ সময়ের দাবি। প্রযুক্তি ব্যবহারে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের সম্ভাবনা অসীম।”
ভিপস সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মোশাররফ হোসেন মজুমদার বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল প্রবেশাধিকার শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।”