Published : 18 Oct 2024, 01:09 PM
২০১১ সালে নিজের অভিষেক ফ্লাইটের পর থেকে রহস্য আঁকড়ে ধরে রেখেছে ‘এক্স-৩৭বি অরবিটাল টেস্ট ভেহিকল (ওটিভি)’ মিশনটি।
মার্কিন অ্যারপ্লেন নির্মাতা কোম্পানি বোয়িংয়ের তৈরি এই যানটি পরিচালনা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্স ‘ইউএসএসএফ’। পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লেনটি এমনভাবে নকশা করা যাতে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের ২৪০ থেকে আটশ কিলোমিটারে এটি চলাচল করতে পারে।
মহাকাশ নিয়ে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য পূরণে পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি পরীক্ষা করে দেখছে স্পেস ফোর্স।
২০২৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নিজের সপ্তম মিশন ওটিভি-৭ শুরু করেছে এক্স-৩৭বি, যেখানে প্লেনটি মহাকাশে বিকিরণের বিভিন্ন প্রভাব এবং ‘স্পেস ডোমেইন অ্যাওয়্যারনেস (এসডিএ)’ প্রযুক্তি পরীক্ষা করে দেখেছে।
এ মিশনের অংশ হিসেবে এক্স-৩৭বি শিগগিরই বেশ কিছু নতুন কসরত দেখাবে বলে উঠে এসেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজের প্রতিবেদনে।
এইসব কসরতের মধ্যে থাকতে পারে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওপরের অংশে মহাকাশযানকে নিয়ে এর গতি কমানো ও খুব বেশি জ্বালানি খরচ না করেই কক্ষপথ থেকে নেমে আসা, যে প্রক্রিয়াটি ‘অ্যারোব্রেকিং’ নামেও পরিচিত।
এক্স-৩৭বি’র এমন কসরত দেখানোর এটিই প্রথম ঘটনা হতে যাচ্ছে, যার সহায়তায় সম্ভাব্য শত্রু দেশগুলো এড়াতে পারবে প্লেনটি।
ইউএসএসএফ’র বিবৃতি অনুসারে, সর্বশেষ এ পদক্ষেপটি এর আগে ‘লিও’ বা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে পরিচালিত ছয়টি মিশন ও বেশ কয়েক দশক ধরে চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে পাঠানো মিশনগুলো থেকে সুবিধা নেবে।
এ ছাড়া, মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ প্রশমনের স্বীকৃত মানদণ্ড মেনে নিজের কয়েকটি সার্ভিস মডিউলের উপাদান বের করে দেবে মহাকাশযানটি।
এর পর, মহাকাশযানটি কক্ষপথ থেকে সরে এসে পৃথিবীতে ফিরে আসবে, যেমনটি এর আগের ছয় মিশনে ঘটেছিল।
আরও দেখুন
টানা ৯০৮ দিনের রেকর্ড শেষে মহাকাশ থেকে ফিরল এক্স-৩৭বি