ক্লাব ভারোত্তোলনে সেরা সুমাইয়া ও রাব্বি
একই ক্লাব থেকে আসা এই দুই ভারোত্তোলক বাজিমাত করেছেন এবারের আসরে।
সুমাইয়া ও রাব্বি হোসেন- দুজনই একই ক্লাবের। দুজনই স্ন্যাচ, ক্লিন অ্যান্ড জার্ক এবং মোট উত্তোলন-তিন ক্যাটাগরিতেই গড়েছেন রেকর্ড। গাজীপুরের এরশাদ শরীরচর্চা ভারোত্তোলন ক্লাবের এই দুজন নিজেদের ইভেন্টে প্রথম হওয়ার পাশাপাশি এবারের ক্লাব ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপে সেরার মুকুটও জিতেছেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (পুরাতন ভবনে) হওয়া এই প্রতিযোগিতায় ৮১ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচ (১০০ কেজি) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১২১ কেজি) মিলিয়ে ২২১ কেজি তুলে সেরা হন রাব্বী।
২০২০ সালে হওয়া প্রথম আসরে এই ওজন শ্রেণিতে সব মিলিয়ে ২১৫ কেজি তুলে সেরা হয়েছিলেন সিপাহীবাগ যুব সংঘের রুমন সরদার। রাব্বী তার চেয়ে ছয় কেজি বেশি উত্তোলন করেছেন।
এবার রুমন লড়েছেন ৮৯ কেজি ওজন শ্রেণিতে। স্ন্যাচ (৯০), ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১৩০) মিলিয়ে ২২০ কেজি তুলে তিন ক্যাটাগরিতে রেকর্ড গড়ে সেরা হয়েছেন তিনি।
মেয়েদের ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচ (৫৭) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (৭০) মিলিয়ে ১২৭ কেজি উত্তোলন করেন সুমাইয়া।
গত ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে মেয়েদের এই ওজন শ্রেণিতে সেরা হওয়া আজহার ভারোত্তোলন ক্লাবের জেরিন তুলেছিলেন ১০৩ কেজি। তার চেয়ে সুমাইয়া উত্তোলন করেছেন ২৪ কেজি বেশি।
সুমাইয়া ছাড়াও মেয়েদের বিভাগে তিন ক্যাটাগরিতেই রেকর্ড গড়ে প্রথম হয়েছেন আরও দুই ভারোত্তোলক। ৬৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে এরশাদনগরের সালেহা আক্তার স্ন্যাচ (৫১), ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (৬৫) মিলিয়ে ১১৬ কেজি তোলেন।
৭১ কেজি ওজন শ্রেণিতে সব মিলিয়ে ১২৪ কেজি তুলে রেকর্ড গড়ে সেরা হন আরামবাগ ক্লাবের লাবনী আক্তার।
একটি সোনা ও চারটি ব্রোঞ্জ নিয়ে ছেলেদের বিভাগে দলগত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মোয়াজ্জেম জিমন্যাস্টিকস ক্লাব। মেয়েদের বিভাগে দলগত সেরা হয়েছে কিশোরগঞ্জের আজহার একাডেমী; তাদের অ্যাথলেটরা জিতে নিয়েছে ৩টি করে সোনা ও রুপা এবং ২টি ব্রোঞ্জ।
