Published : 18 Jun 2026, 06:15 PM
বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের অভিষেক দিয়ে ছোট্ট এক অভিজাত ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন ফাবিও কান্নাভারো। মাত্র পঞ্চম ব্যালন দ’র জয়ী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে কোনো দলকে কোচিং করাচ্ছেন তিনি।
বিশ্ব মঞ্চে যাত্রা ভালো হয়নি উজবেকিস্তানের। প্রবল লড়াইয়ের পরও কলম্বিয়ার বিপক্ষে হেরেছে ৩-১ গোলে।
ইতালির সাবেক বিশ্বকাপজী অধিনায়ক ও ডিফেন্ডার কান্নাভারো অবশ্য নিজের ছাপ ঠিকই দেখাতে পেরেছেন। হামেস রদ্রিগেস, লুইস দিয়াসের মতো তারকাদের বিপক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে উজবেকরা।
২০০৬ সালে কান্নাভারোর নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জেতে ইতালি। ওই বছরই ব্যালন দ’র জেতেন তিনি। রেয়াল মাদ্রিদ, ইউভেন্তুস ও ইন্টার মিলানে এই ডিফেন্ডার খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে নাম লেখান কোচিং পেশায়। তার হাত ধরেই প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলছে এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান।
প্রথম ব্যালন দ’র জয়ী হিসেবে বিশ্বকাপে কোচিং করান জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। এছাড়া এই তালিকায় আছেন স্প্যানিশ গ্রেট লুইস সুয়ারেস। নেদারল্যান্ডসের মার্কো ফন বাস্তেন ও ইউক্রেইনের ওলেগ ব্লোখিন। এই তালিকায় কান্নাভারো একটু ব্যতিক্রম। কেবল তিনিই নিজ দেশ নিয়ে বিশ্বকাপে আসেননি।
বেকেনবাওয়ারের কোচিংয়ে পশ্চিম জার্মানি জেতে বিশ্বকাপ শিরোপা। ইউক্রেনকে বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্য এনে দেন ব্লোখিন।
১৯৮৬ ও ১৯৯০ আসরে পশ্চিম জার্মানির কোচ ছিলেন বেকেনবাওয়ার। টানা দুইবার ফাইনালে খেলে তার দল, দুটিই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। প্রথমবার হারে ৩-১ ব্যবধানে, পরেরবার জেতে ১-০ গোলে।
ব্লোখিনের কোচিংয়ে ২০০৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইউক্রেইন। সেবার কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলে দেশটি। এরপর আর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা পায়নি তারা।
মার্কো ফন বাস্তেনের কোচিংয়ে এক আসর পর বিশ্বকাপে ফেরে নেদারল্যান্ডস। ২০০৬ সালে জার্মানিতে হওয়া ওই আসরের শেষ ষোলোয় থামে দলটির বিশ্বকাপ যাত্রা। ফাউলের ছড়াছড়ির ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে হারে ১-০ ব্যবধানে।
সুয়ারেসের কোচিংয়ে ১৯৯০ আসরে স্পেন যায় শেষ ষোলোয়। যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে থামে তাদের অভিযান।
ব্যালন ডি’অর জয়ী বিশ্বকাপ কোচ
ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার- পশ্চিম জার্মানি (১৯৮৬ ও ১৯৯০)
লুইস সুয়ারেস- স্পেন (১৯৯০)
ওলেগ ব্লোখিন- ইউক্রেন (২০০৬)
মার্কো ফন বাস্তেন- নেদারল্যান্ডস (২০০৬)
ফাবিও কান্নাভারো- উজবেকিস্তান (২০২৬)