Published : 06 Jul 2026, 07:41 PM
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠের পাশাপাশি গ্যালারিতেও তীব্র লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টে নিজেদের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন দলটির মিডফিল্ডার আরদন ইয়াশারি।
ভ্যানকুভারে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ৮ জুলাই দুইটায় (এএম) কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে সুইসরা।
এই মাঠেই গ্রুপ পর্বে সহ-আয়োজক কানাডার বিপক্ষে লড়েছিল সুইজারল্যান্ড। সেদিন স্বাগতিকদের দর্শকে ঠাসা গ্যালারির সামনে খেলার চাপ অনুভব করেছিল তারা। প্রতিকূল সেই পরিবেশের মাঝেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছিল সুইজারল্যান্ড।
কলম্বিয়ার সমর্থকদের কাছ থেকেও একই রকম উন্মাদনা আশা করছেন ইয়াশারি। শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে সেটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
“আমার মনে হয় কানাডার বিপক্ষেই এটা বেশি টের পেয়েছিলাম- স্টেডিয়ামের ৯০ শতাংশ দর্শকই ছিল কানাডার। আমার মনে হয় এবার পরিস্থিতি আরও বিশেষ কিছু হবে।
“কলম্বিয়ানরা শুধু মাঠেই আবেগপ্রবণ নয়, গ্যালারিতেও তারা সমান উত্তেজিত থাকে। কাতারে গত বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেও আমাদের এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। এটা সেরকমই আরেকটি পরিস্থিতি। আমরা এখন নকআউট পর্বে আছি। তাই মাঠে যেমন উত্তাপ থাকবে, গ্যালারিতেও তেমননি উত্তেজনা দেখা যাবে।”
কলম্বিয়া শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও তাদের নিয়ে বেশি ভাবতে চায় না সুইজারল্যান্ড। নিজেদের সেরাটা খেলাতেই মনোযোগ দিচ্ছে দলটি।
টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলছে সুইজারল্যান্ড। নিয়মিত বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলেও শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোনো তাদের জন্য দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ তারা কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলেছিল ১৯৫৪ সালে। আর বিশ্ব মঞ্চে ওই ধাপে খেলাই তাদের সেরা সাফল্য।
২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতেই থেমেছিল সুইজারল্যান্ড। ২০১০ সালে অবশ্য গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। ফলে নকআউট পর্বে উঠলেও শেষ ষোলোর গেরো খোলাই এখন তাদের বড় লক্ষ্য।