Published : 20 Jun 2026, 08:18 PM
প্রথমবার কোনো জাতীয় দলকে কোচিং করাতে এসে দারুণ এক অর্জন ধরা দিল মাওরিসিও পচেত্তিনোর হাতে। বোরো মিলুতিনোভিচ ও ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের মতো যুক্তরাষ্ট্রকে নক আউট পর্বে নিয়ে গেলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ম্যাচে নানা অর্জন ধরা দিয়েছে তাদের হাতে। সেগুলো পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
৪
নিজেদের খেলা শেষ চার বিশ্বকাপের প্রতিটিতেই নকআউট পর্বে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের ইতিহাসে তৃতীয়বার গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। আগের দুবার ১৯৩০ ও ২০১০ আসরে।
১
১৯৩০ আসরের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র।
৬
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলাররা ৬ গোল করেছেন, যা বিশ্ব আসরের গ্রুপপর্বে তাদের সর্বোচ্চ।
এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল থেকে বেশি দূরে নেই মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল। ১৯৩০ ও ২০০২ বিশ্বকাপে সমান ৭ টি করে গোল করেছিল এবারের আসরের সহ-আয়োজকরা।
আরও অন্তত দুটি ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্র। ওই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।
২১ বছর ৩১৪ দিন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৪৩ মিনিটে গোল করেন অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ গোলদাতা এখন তিনি। ২০১৪ বিশ্বকাপে ১৯ বছর ২৫ দিন বয়সে গোল করে দেশটির সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা জুলিয়ান গ্রিন।
৭
ক্যামেরুন বারগসের করা আত্মঘাতি গোলে এবারের আসরের ৭ম আত্মঘাতি গোল। এর চেয়ে আত্মঘাতি গোল হয়েছে কেবল ২০১৮ সালে, রাশিয়া বিশ্বকাপে ১২টি।
১৭
যুক্তরাষ্ট্রের দুই গোলের পর এবারের আসরে কনক্যাকাফ অঞ্চলের দেশগুলোর মোট গোলসংখ্যা ১৭টি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যে কোন আসরে এই অঞ্চলের দেশগুলোর সর্বোচ্চ গোল এটি।
৩/৩
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের তৃতীয় বিদেশি কোচ মাওরিসিও পচেত্তিনো। আগের দুইজন বোরা মিলুতিনোভিচ ও ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের কোচিংয়েও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলেছিল দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই জয়ে স্বাগতিক দেশের দারুণ একটি ধারা অক্ষুণ্ণ থাকল। ২০০২ বিশ্বকাপের দুই আয়োজক জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে অপরাজিত ছিল। ২৪ বছর পর যৌথ আয়োজনে ফিরে তিন আয়োজক দেশই প্রথম দুই ম্যাচে অপরাজিত।
৩৫ বছর ২৫০ দিন
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩৫ বছর ২৫০ দিন বয়সে মাঠে নামেন ম্যাথু লেকি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে খেলা দ্বিতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে ম্যাচ খেলা (গোলরক্ষক ছাড়া অন্য পজিশন) ফুটবলার। ২০১০ বিশ্বকাপে খেলা মার্ক শোয়ার্জার (৩৭ বছর ২৬০ দিন) অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার।