Published : 12 Jun 2026, 03:45 PM
লম্বা একটা সময়ের অপেক্ষার অবসান করার সামনে দাঁড়িয়ে প্যারাগুয়ে। দীর্ঘ ১৬ পর যে বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে তারা। এটাকে নিজেদের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন গুস্তাভো আলফারো। তবে কেবল বিশ্ব মঞ্চে প্রত্যাবর্তনেই থামতে চান না দলটির কোচ। এখানে অন্যদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নিজেদের যোগ্যতাও প্রমাণ করতে চান তিনি।
উদ্বোধনী আসরের দল প্যারাগুয়ে এনিয়ে নবমবার খেলতে যাচ্ছে বিশ্বকাপে, ২০১০ সালের পর প্রথমবার। সেবার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল দলটি। বিশ্বকাপে যা তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য।
গত তিন আসরে বাছাই পর্বই উতরাতে পারেনি প্যারাগুয়ে। লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে এবার ষষ্ঠ হয়ে এবারের বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় দলটি।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের অভিযান শুরু হবে শনিবার। লস অ্যাঞ্জেলসে তিন সহ-আয়োজকদের একটি যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে তারা। ম্যাচটির আগে নিজের দলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন আলফারো।
“আমার দৃষ্টিতে, তারা ইতোমধ্যেই জয়ী। ১৬ বছর পর তারা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে, যখন এটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছিল, যখন কোনো আশাই ছিল না।”
আর্জেন্টাইন কোচ আলফারোর মতে, সমর্থকের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া সংযোগ আবার ফিরিয়ে এনেছে এই দল। এবার বিশ্ব মঞ্চে দারুণ কিছু করে তাদেরকে আনন্দে ভাসাতে চান তিনি ও তার দল।
“তারা প্যারাগুয়ের ফুটবলের নিজস্বতা ফিরিয়ে এনেছে। আমরা কেবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে আসিনি। বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করতে এসেছি।”
স্বাগতিকদের একটির বিপক্ষে খেলাকে ‘কঠিন চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে দেখলেও, নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রাখছেন আলফারো।
‘ডি’ গ্রুপে প্যারাগুয়ের অন্য দুই প্রতিপক্ষ তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া।