Published : 15 Jun 2026, 08:33 AM
বয়স বেড়েছে। অভিজ্ঞতা বেড়েছে। জীবন, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনায় কেভিন ডে ব্রুইনে আগের চেয়ে এখন আরও বেশি পরিণত। চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার রোমাঞ্চ তার সঙ্গী ঠিকই। তবে, এবারের আসর নির্ভার থেকে উপভোগ করতে চান বেলজিয়ামের এই তারকা মিডফিল্ডার।
আরও একটি বিশেষ চাওয়া আছে ডে ব্রুইনের। ক্লাব ক্যারিয়ারে তিনি লিভারপুলের মোহামেদ সালাহ’র বিপক্ষে অনেকবার লড়েছেন, ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে। কখনও জিতেছেন, কখনও হেরেছেন। এবার বিশ্বমঞ্চে সালাহর মুখোমুখি হতে উন্মুখ ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
সেই ক্ষণও দুরে নেই। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে বেলজিয়াম ‘জি’ গ্রুপে যাত্রা শুরু করবে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই। সিয়াটলে সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দেখা হবে সালাহ ও ডে ব্রুইনের।
মাঠের বাইরে অবশ্য দুজনের দারুণ বন্ধুত্ব। দুজনের বাচ্চা একই স্কুলে পড়ত। ফলে, দেখা-সাক্ষাৎ হতো হরহামেশাই। ক্লাব পর্যায়ের পুরনো দিনের দ্বৈরথ এবার বিশ্বমঞ্চে হওয়ায় শিহরিত ডে ব্রুইনে।
“১০ বছর আমি মো’র (সালাহ) বিপক্ষে খেলেছি। আমাদের বাচ্চারা একই স্কুলে যেত। তো প্রায়ই আমাদের দেখা হতো। সে দারুণ একজন মানুষ। তার সাথে আবার দেখা হওয়াটা দারুণ হবে। আগের মতো তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারাটাও চমৎকার হবে।”
জাতীয় দলের জার্সিতে দেড় দশকেরও বেশি সময় খেলে ফেলেছেন ডে ব্রুইনে। এ নিয়ে বিশ্বকাপের আঙিনায় তার পা পড়ছে চতুর্থবার। বয়সের দিকে তাকালে ধারণা করা যায়, এটাই হয়তো তার শেষ বিশ্বকাপ। আসরটি তাই মনভরে উপভোগ করতে চান সৃষ্টিশীল এই মিডফিল্ডার।
“আমার মনে হয়, আমি সম্ভবত ক্যারিয়ারে সেই পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে দাঁড়িয়ে আমি এটা আরও বেশি উপভোগ করতে পারি।”
“যখন আপনি কম বয়সী থাকবেন, তখন আপনি কেবল ফুটবলই খেলতে চাইবেন এবং বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাইবেন না। কিন্তু, আমার মনে হয়, এখন আমি…উপলব্ধি করতে পারি, চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অর্থ কী।”
ক্লাব ক্যারিয়ারে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মুঠোভরে পেয়েছেন ডে ব্রুইনে। বেলজিয়ামের জার্সিতে অবশ্য প্রাপ্তির খাতাটা শূন্য। ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া সেরা সাফল্য। তবে, জাতীয় দলের হয়ে কাটানো দীর্ঘ সময়ের দিকে তাকিয়ে তৃপ্তিই অনুভব করছেন ডে ব্রুইনে।
“১৬ বছর ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলে যাওয়া এবং এখনও এখানে দলের সাথে থাকতে পারা আমার জন্য সম্মানের। এর মানে হচ্ছে, আমি ভালো কিছু করেছি!”