Published : 04 Jul 2026, 04:22 PM
গ্রুপ পর্বে দুই ম্যাচের মধ্যে সময় ছিল ছয় দিন। আর নকআউট পর্বে দুই ম্যাচের মধ্যে সময় তিন দিন। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মনে করেন, ব্যাপারটি হওয়া উচিত উল্টো। নকআউট পর্বে লড়াইয়ের যে তীব্রতা এখানে বেশি সময় বিরতি থাকা উচিত।
শেষ বত্রিশে বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার অনেক খেলোয়াড়কে ক্র্যাম্পে ভুগতে দেখা যায়। একই সঙ্গে তিন-চার জন খেলোয়াড়কে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় শুয়ে থাকার দৃশ্যও দেখা গেছে।
ক্র্যাম্পের জন্য বাধ্য হয়ে মাঠ ছাড়েন ফাকুন্দো মেদিনা। লড়াই চালিয়ে যান এন্সো ফের্নান্দেস। বদলি নামা নিকোলা হন্সালেসকে অ্যাঙ্কেলের সমস্যায় বেশ ভুগতে দেখা যায়।
আগামী মঙ্গলবার মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলবে আর্জেন্টিনা। এই লড়াইয়ের আগে মেদিনা, ফের্নান্দেস, হন্সালেসের ফিটনেস নিয়ে দুর্ভাবনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
“এন্সোর শেষ দিকে কিছুটা ক্র্যাম্প দেখা দেয়। তবে সে কাটিয়ে উঠে। পরে ক্র্যাম্প নিয়েই খেলা শেষ করে।”
“আমরা ফাকুন্দোকে নিয়ে, সে খুশি। সে খুব ক্লান্তি নিয়ে ম্যাচ শেষ করে, কারণ আমরা তাকে আক্রমণেও কাজে লাগিয়েছিলাম। এতে সে অভ্যস্ত নয়। সে তৃতীয় সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলছিল যে খুব বেশি আক্রমণ করে না। সে ক্র্যাম্প নিয়ে শেষ করেছে। তবে সৌভাগ্যবশত আমাদের বেঞ্চে নিকো (তালিয়াফিকো) আছে, সে আমাদের সাহায্য করেছে এবং দেখিয়েছে সেও ফিট।”
ম্যাচ শেষে ফের্নান্দেস টিওয়াসিকে জানান, ক্র্যাম্প কতটা ভুগিয়েছে তাকে।
“৭৫ বা ৮০ মিনিটের সময় ক্র্যাম্প দেখা দেয়। তবে আপনি যখন জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন তখন আপনাকে কিছুটা বেশিই দিতে হবে। এটা আমাকে ছোট বেলার কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল, যখন আমি এখানে থাকার স্বপ্ন দেখতাম। এটা আপনাকে বাড়তি কিছু দিতে উদ্বুদ্ধ করবে।”
নকআউট পর্বে যে খেলোয়াড়দের বাড়তি পরিশ্রম করতে হয় ভালো করেই জানেন স্কালোনি। জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে অতিরিক্ত সময়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। কোচ ভালো করে জানেন, কতটা ভুগতে হয় তার দলকে। স্কালোনি মনে করেন, এই সময়ে সূচির ধরণ কাজটা আরও কঠিন করে তোলে।
“যখন আপনি নিজেকে নিংড়ে দিয়ে খেলবেন তখন সেটা আপনার অনেক কিছু কেড়ে নেবে। এই দিক থেকে দল আজ তাদের দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমাদের যেগুলো ঠিক করে নেওয়া প্রয়োজন আমরা সেটা নেব।
“এখন আমাদের বিশ্রাম নিতে হবে। আগে আমরা ছয় দিন বিরতি পেতাম, এখন পাব তিন দিন। এটা হওয়া উচিত উল্টো। যখন আপনার সবচেয়ে বেশি বিশ্রাম প্রয়োজন হবে, তখন পাবেন কম। এটা বোঝা খুব কঠিন। কম বিরতি দিয়ে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে বাড়ানো উচিত।”