২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ
Published : 12 Jun 2026, 03:19 PM
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনাকে দুর্বল দল মানছেন খোদ তাদেরই কোচ সের্গেই বারবারেজ! তবে, ১২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আসার উপলক্ষ্য রাঙানোর স্বপ্নও আছে তাদের। সে স্বপ্ন পুরণে শিষ্যরা হৃদয় দিয়ে খেলবে, মনে করেন বলকান দলটির কোচ।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে বসনিয়ার যাত্রা শুরু হবে শুক্রবার কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। বিশ্বকাপের তিন আয়োজকের একটি কানাডার টরন্টোতে, বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে লড়াই।
‘বি’ গ্রুপে বসনিয়ার বাকি দুই প্রতিপক্ষ কাতার ও সুইজারল্যান্ড।
২০১৪ সালে ব্রাজিলের আসর দিয়ে বিশ্বকাপ মঞ্চে অভিষেকের পরের দুই আসরের বাছাইয়ের বৈতরণী পার হতে পারেনি বসনিয়া। ব্যর্থতার ওই বৃত্ত ভেঙে বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে ফিরেছে তারা। দলটির কোচ বারবারেজের বিশ্বাস বড় মঞ্চে আলো ছড়ানোর সামর্থ্য আছে বসনিয়ার।
“আমরা ছোট একটি দেশ। এটা আমাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে আসা এবং নিশ্চিতভাবে, সামনের অনেক ম্যাচে আমরা দুর্বল দল হিসেবে বিবেচিত হব।”
“তবে, আপনারা যদি আমাদের ম্যাচের ফলাফল জানেন, তাহলে আমি মনে করি, আমরা যেটা অর্জন করেছি, সে জন্য আমাদের কেবল প্রশংসাই করবেন।”
বাছাইয়ের প্লে-অফ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে আসা শেষ ছয় দলের একটি বসনিয়া। শেষ বাধা তারা পার হয়েছে, বিশ্বকাপের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে। ইতালির হৃদয় ভেঙে বিশ্ব মঞ্চে এসে হৃদয় দিয়ে খেলতে চান বারবারেজ।
“(একসময় বলেছিলাম) আমি ডেভিড ও গোলিয়াথের গেম ভালোবাসি। আমরা আমাদের হৃদয় দিয়ে খেলি এবং এটাই আমাদের সুবিধা, শক্তির জায়গা।”
কানাডা ম্যাচে বসনিয়া তাকিয়ে থাকবে দলের সর্বোচ্চ (৭৩টি) গোলদাতা এদিন জেকোর দিকে। ৪০ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার দলের আক্রমণভাগের মূল সেনানি।
কাঁধের চোট কাটিয়ে ফেরা জেকো কানাডা ম্যাচে খেলবেন, নিশ্চিত করলেন বারবারেজ।
“এদিন আমাদের সাথে থাকবে। বরাবরের মতোই খেলবেও।”
“আমি হয়তবা একটু বাড়িয়ে বলছি, কিন্তু আমি নিশ্চিত, দুই দলের যে বৈশিষ্ট, তাতে ম্যাচটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।”