Published : 05 Jul 2026, 01:12 PM
রক্ষণ জমাট রেখে, শারীরিক শক্তি নির্ভর ফুটবল খেলাই প্যারাগুয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। এতে দোষের কিছু দেখেন না দিদিয়ে দেশোঁ। লাতিন আমেরিকার দলটির বিপক্ষে অনেক ভুগলেও, তাদের খেলার ধরন নিয়ে সমালোচনা করার পক্ষে নন ফ্রান্সের কোচ।
শেষ ষোলোয় অসংখ্য ফাউলের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। সফল স্পট কিকে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে।
এদিন এমবাপেকে কড়া মার্কিংয়ে রাখে প্যারাগুয়ে। কঠিন সব ট্যাকেল করে বারবার তাকে ফেলে দেওয়া হয়। ম্যাচজুড়েই ফাউল নির্ভর ফুটবলই খেলেছে প্যারাগুয়ে। ম্যাচে মোট ১৩টি ফাউল করেছে তারা।
তবে জবাব দিতে ছাড়েনি ফ্রান্সও। গত দুই আসরের ফাইনালিস্টরা এই ম্যাচে ফাউল করেছে প্যারাগুয়ের চেয়ে স্রেফ দুটি কম।
এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে গরমে খেলা হয়েছে এই ম্যাচ। এর মধ্যে এলোমেলো ও ফাউল নির্ভর ফুটবলে ম্যাচে জিততে পেরেই খুশি দেশোঁ। ম্যাচ শেষে ফ্রান্স কোচ বললেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে এমন ম্যাচের জন্য প্রস্তুত ছিলেন তারা।
“আমি অনেক কিছু দেখেছি। খেলোয়াড়দের সেভাবেই প্রস্তুত করেছিলাম। তারা জানাত, ম্যাচটা এমন হতে পারে।
“প্যারাগুয়ের সমালোচনা করতে চাই না। যেকোনো দল তাদের নিজস্ব কৌশলে খেলতে পারে। তবে প্রতিপক্ষের ডাগআউট থেকে কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল, যা না হলেও পারত।”
ফাউল নির্ভর ফুটবল খেললেও এদিন প্যারাগুয়ের একজন খেলোয়াড়ও কোনো কার্ড পাননি। সেখানে ফ্রান্সের মানু কোনে, বাহডলে বাহকোলা ও মাইকেল ওলিসে দেখেন হলুড কার্ড।
যা নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ ঝরল দেশোঁর কণ্ঠে।
“সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ম্যাচ শেষে কোনো ঝামেলা হয়নি এবং আমরা আর কোনো কার্ড পাইনি। অনেক ফাউলের ম্যাচে আমরাই তিনটা হলুদ কার্ড পেয়েছি। আমি বলছি না যে আমরা ফাউল করিনি, তবে ফাউল দুই দলই প্রচুর করেছে।”
শেষ আটে আগামী শুক্রবার দুইটায় (এএম) মরক্কোর মুখোমুখি হবে ফ্রান্স।