Published : 30 Jun 2026, 09:01 AM
দাপুটে ফুটবল খেলে গ্রুপ পর্ব পাড়ি দিয়েছে ফ্রান্স, অনায়াসে জিতেছে তিন ম্যাচের সবগুলো। সেখানে, ঘাম ছুটে গেছে সুইডেনের। তৃতীয় সেরা আট দলের একটি হয়ে কষ্টে নকআউট পর্বে উঠেছে তারা। শেষ বত্রিশে এই দুই দলই এবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। যে লড়াইয়ে সবার চোখে, ‘ফেভারিট’ ফ্রান্স আর সুইডেনকে বলা হচ্ছে, ‘আন্ডারডগ।’
এই তকমায় অবশ্য আপত্তি নেই সুইডেনের। বরং খুশিই তারা। দলটির মিডফিল্ডার দানিয়েল সেনসন যেমন বললেন, চাপ এখন থাকবে ফ্রান্সের ওপর। ফরাসিদের ‘ফেভারিট’ বলতে গিয়ে, এই শব্দের যেন ধোঁয়া তুলে দিলেন তিনি!
“সত্যি বলতে, আমরা ফেভারিট কি-না, সেটা নিয়ে আমি খুব বেশি চিন্তা করি না। সবচেয়ে বেশি যেটা নিয়ে ভাবি, তা হচ্ছে, বছর জুড়ে আমরা যেটা নিয়ে কথা বলে আসছি, সেটাই করতে হবে-নিজেদের সেরাটা দিতে চাই আমরা। যদি, তা দিতে পারি, আমাদের সুযোগ আছে ফ্রান্সকে হারানোর।”
“এই শিরোপা জয়ের ফেভারিট দলগুলোর একটি তারা। তাই অবশ্যই তারা আমাদের বিপক্ষেও ফেভারিট। আমার দৃষ্টিতেও তারা ফেভারিট। তারা কত বড় ফেভারিট, তা ঠিকঠাক বলে বোঝানো কঠিন, কিন্তু অবশ্যই তারা ফেভারিট।”
এই ম্যাচে দুই দলের আক্রমণভাগের লড়াই জমে উঠতে পারে। ফ্রান্সের আক্রমণভাগ সাজানো কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসের মতো তারকা নিয়ে। সুইডিশদের তাঁবুতে আছে ভিক্তর ইয়োকেরেশ, আলেকসান্দার ইসাকের মতো নির্ভরতা।
তিউনিসিয়া ম্যাচে গোল পাওয়া ইয়োকেরেশ বললেন, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে নামবেন তারা।
“দলের মধ্যে যেন দারুণ এক প্রাণশক্তি বিরাজ করছে, সবাই শান্ত আছে, এমনটাই অনুভূত হচ্ছে। আমাদের যা করার প্রয়োজন, তা নিয়ে অনুশীলন সেশনে কাজ করছি এবং মনে হচ্ছে, দলের সবাই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে মাঠে নামতে মুখিয়ে আছে।”
সুইডিশ মিডফিল্ডার ইয়াসিন আইয়ারির মনে হচ্ছে, ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সাথে তুমুল লড়াই হবে তাদের।
“আমাদের প্রচুর আক্রমণ সামলানোর প্রয়োজন হবে, কিন্তু তাদের বিপক্ষে আমরাও সুযোগ তৈরি করতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি, ফ্রান্সের জন্য আমরাও বিপজ্জনক হতে পারি।”
নিউ ইয়র্কে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায়, শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে গত বিশ্বকাপের রানার্সআপ ফ্রান্স ও সবশেষ ১৯৯৪ সালে সেমি-ফাইনালে ওঠা সুইডেন।