সাফ উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ
Published : 13 Jul 2025, 09:56 PM
ম্যাচ তখন ড্রয়ের পথে। প্রবল স্নায়ুচাপের সেই মুহূর্তে উমহেলা মারমা আড়াআড়ি ক্রস বাড়ালেন, নিখুঁত টোকায় জাল খুঁজে নিলেন তৃষ্ণা রানী। নেপালকে হারিয়ে সাফ উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখার সম্ভাবনা জোরাল হলো বাংলাদেশের। শেষ মুহূর্তে দলকে আনন্দে ভাসানোর পর তৃষ্ণার কণ্ঠে ফুটে উঠল দ্বিতীয়ার্ধের কঠিন সময়।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রোববার রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে পিটার জেমস বাটলারের দল।
শিখা জাহান ও সাগরিকার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে মেজাজ হারিয়ে সাগরিকা লাল কার্ড দেখার পর থেকে ছন্দ হারায় দল। মরিয়া নেপাল চাপ দিতে থাকে বাংলাদেশের রক্ষণে। দুই গোল শোধও করে দেয় তারা। এরপর ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া তৃষ্ণা বললেন, দুই গোল খেয়ে মানসিকভাবে চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তারা।
“আসলে সবাই খুশি। তবে আমি বেশি খুশি একারণে যে, শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জেতাতে পেরেছি। যেহেতু আমরা প্রথমার্ধে দুইটা গোল করেছি, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আবার দুইটা খেয়েছি। আমাদের একজন স্ট্রাইকার (সাগরিকা) লাল কার্ড পেয়েছে, ওই হিসাবে আমরা মানসিকভাবে একটু চাপে ছিলাম যে আমাদের গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।”
“দুইটা গোল খাওয়ার পর আমরা একটু মানসিক চাপে ছিলাম। তবে আমি শেষ মুহূর্তে যখন গোলটা করি, অনেক ভালো লেগেছে, দলের জন্য কিছু করতে পেরেছি, তাই অনেক ভালো লাগছে।”
সাগরিকার লাল কার্ডের পরই বদলি নামেন তৃষ্ণা। শুরুতে তিনি নিজেও নষ্ট করেন কিছু সুযোগ। সেই হতাশা এই ফরোয়ার্ড ভুলেছেন শেষ মুহূর্তের গোলে।
“প্রথমে তো দুই-তিনটা সুযোগ মিস করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল গোল করা। যেহেতু আমরা দুইটা গোল খেয়ে ফেলেছিলাম, আমাদের একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। শেষ সময়ে গোলটা হয়েছে, তাই আমি খুব খুশি।”