আনচেলত্তির দলে এসে বয়সভিত্তিকে সাফল্যের স্মৃতি আওড়ালেন বাইদন
শৈশবের স্বপ্ন পূরণের আনন্দের মাঝে জাতীয় দলে জায়গা পাকা করার লক্ষ্য এই মিডফিল্ডারের।
প্রথমবারের মতো দেশের মূল জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার ঘোর যেন এখনও পুরোপুরি কাটেনি ব্রেনো বাইদনের। শৈশবের স্বপ্ন পূরণের আনন্দের মাঝে এই তরুণ মিডফিল্ডার ফিরে গেলেন গত বছর আরেক স্বপ্ন পূরণের মঞ্চে, শোনালেন দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ জয়ের গল্প।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনটি প্রীতি ম্যাচের জন্য যে তারুণ্যনির্ভর দল গড়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি, সেই স্কোয়াডে নয় নতুন মুখের একজন বাইদন।
অস্ট্রেলিয়া সফরে গত শুক্রবার ১-১ ড্র হওয়া প্রথম ম্যাচে অবশ্য পুরোটা সময় বেঞ্চেই কাটে তার। ব্রিসবেনে দ্বিতীয় ম্যাচে ফের মুখোমুখি হবে দল দুটি। এই লড়াই দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয়ে যেতে পারে বাইদনের। তবে তা হোক বা না হোক, মূল দলে আসতে পেরেই উচ্ছ্বাসে ভাসছেন তিনি।
বিশেষ এই উপলক্ষে বাইদন ফিরে তাকালেন পেছনে, গত বছর ওই বয়সভিত্তিক ফুটবলের চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্মৃতিতে।
“এই শিরোপা ও এই চ্যাম্পিয়নশিপ খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ সেই মুহূর্তটা ছিল খুবই স্পেশাল। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে সেটা আমাদের প্রথম শিরোপা, হোক না তা অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের, তবুও সেটা খুব স্পেশাল ছিল, কারণ আমাদের ওই মুহুর্তটার জন্য আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।
“চ্যাম্পিয়নশিপে আমাদের শুরুটা ভালো ছিল না, তবে এরপর আমাদের একতা ও জয়ের তাড়না সবকিছু বদলে দেয়। আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারি, সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ এবং এই প্রজন্মকে সিনিয়র জাতীয় দলে উঠে আসতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার।”
অস্ট্রেলিয়া-ব্রাজিল দ্বিতীয় ম্যাচটা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকাল চারটায়।
এরপর ভারত সফরে যাবে ব্রাজিল, সেখানে কলকাতায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলবে আনচেলত্তির দল।
তাই জাতীয় দলে এবারই পথচলার শুরু হয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে বাইদনের। তাছাড়া ২০৩০ বিশ্বকাপে চোখ রেকে তরুণদের বেশি সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও বারবার বলেছেন আনচেলত্তি।
তবে এবারে যাই হোক না কেন, বাইদনের মূল লক্ষ্য জাতীয় দলে জায়গা করার।
“আমার বিশ্বাস, এখানে থাকার সময়টা আমি পুরোপুরি উপভোগ করব এবং সর্বোচ্চ উপায়ে কাজে লাগাব। এটা অনেক বড় অভিজ্ঞতা। তাই আমি বিশ্বাস করি, এই সময়টা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। আশা করি, জাতীয় দলে সামনেও আরও অনেকবার থাকব আমি।”
