স্প্যানিশ ফুটবল
আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খাদের কিনার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে যেভাবে জিতেছে দল, তাতে আনন্দের শেষ নেই বার্সেলোনা কোচের।
Published : 17 Mar 2025, 02:54 PM
মৌসুমে আগের দুই দেখায় আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জিততে না পারা বার্সেলোনাকে চোখ রাঙাচ্ছিল আরেকটি পরাজয়। তবে, এবার দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে তুলে নিয়েছে চমৎকার এক জয়। ম্যাচ শেষে দলের এই হাল না ছাড়া মানসিকতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন কোচ হান্সি ফ্লিক।
ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানোয় রোববার হুলিয়ান আলভারেসের গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে আতলেতিকো। পরে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলেকসান্দার সরলথ।
লা লিগার ম্যাচটিতে ৭১তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা বার্সেলোনা হুট করে বদলে দেয় ম্যাচের চিত্রনাট্য। ছয় মিনিটের মধ্যে ২ গোলই পরিশোধ করে ফেলে তারা। রবের্তো লেভানদোভস্কির গোলের পর সমতা টানেন ফেররান তরেস।
ম্যাচ তখন গড়াচ্ছিল ড্রয়ের দিকে। কিন্তু হাল ছাড়ার পাত্র তো নয় বার্সেলোনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কাতালান ক্লাবটিকে এগিয়ে নেন লামিনে ইয়ামাল। ছয় মিনিট পর তরেসের দ্বিতীয় গোলে আতলেতিকোর ঘুরে দাঁড়ানোর আশাটুকুও শেষ করে দেয় ফ্লিকের দল।
আগের দিন বার্সেলোনাকে টপকে লিগ টেবিলে শীর্ষে উঠেছিল রেয়াল মাদ্রিদ। সিংহাসন পুনরুদ্ধার করতে সময়ই নিল না বার্সেলোনা।
বার্সেলোনার শেষ দুই গোলের সময় বাঁধনহারা উল্লাস করতে দেখা গেছে হান্সি ফ্লিককে। দারুণ এই জয়ের পর আনন্দের যেন শেষ নেই তার। ম্যাচ শেষে তাই দলটিকে ভাসালেন উচ্ছ্বসিত প্রশংসায়।
“আমি এই দলকে নিয়ে খুশি ও গর্বিত। তারা কখনও হাল ছাড়ে না… এই তিন পয়েন্ট পাওয়া দারুণ ব্যাপার এবং শীর্ষে ফিরে আমরা আনন্দিত।”
লা লিগায় ১২ ম্যাচ ধরে গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না ইয়ামাল। অবশেষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে নিজেকে মেলে ধরেন তিনি। স্প্যানিশ সেনসেশনেরও মনে হচ্ছিল, বড় ম্যাচেই জালের দেখা পাবেন তিনি। সব মিলিয়ে, আতলেতিকোকে হারানোর আনন্দ ঝরল তার কণ্ঠে।
“আজকে তিন পয়েন্ট পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমাদের অক্ষমতার জন্য আমরা স্বস্তিতে নেই এটা দেখে যে ক্রোধের জন্ম নিলো, শেষ পর্যন্ত সেটার জন্য আমরা নিজেদের সেরা দিকটা দেখালাম, আমাদের সেরা যেটা ছিল, সেটা আমরা দিলাম।”
“এটা আমার কাছে পরিষ্কার ছিল যে, যদি গোল করি সেটা হবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। যখন বল মাঠের অন্য পাশে ছিল, দেখলাম গ্যালাঘার আমার থেকে দূরে সরে গেছে। আর যখনই বল আমার কাছে এলো, আমি শট নেওয়ার সুযোগ দেখতে পাই।”