কঠিন মঞ্চে দলের লড়াকু মানসিকতায় মুগ্ধ আতলেতিকো কোচ
সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে প্রায় পুরোটা সময় একজন কম নিয়ে খেলা দলের পারফরম্যান্সকে দশে দশ দেবেন আতলেতিকো মাদ্রিদ কোচ দিয়েগো সিমেওনে।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই লাল কার্ড দেখলেন পাবলো বারিওস, দ্বিতীয়ার্ধে লাগল পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা। তবে, হাল ছাড়েনি আতলেতিকো মাদ্রিদ। প্রায় পুরোটা সময় একজন কম নিয়ে লড়াই করে, শেষদিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মূল্যবান একটি পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে দলের এমন হার না মানা মানসিকতা মন জয় করে নিয়েছে কোচ দিয়েগো সিমেওনের।
ম্যাচটি জিতে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে ওঠার সুযোগ ছিল আতলেতিকোর। তবে কঠিন পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র করতে পেরেই খুশি সিমেওনে।
সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষের একজনকে মারাত্মক ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন মিডফিল্ডার বারিওস। ৬৮তম মিনিটে আবার পেনাল্টি হজম করে আতলেতিকো, ইয়াগো আসপাসের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় সেল্তা।
এরপর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠা আতলেতিকো শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে ৮১তম মিনিটে। দলকে স্বস্তি এনে দেওয়া গোলটি করেন আলেকসান্দের সরলথ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সিমেওনে বলেন, দলের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট তিনি।
“আমাকে যদি এই পারফরম্যান্সকে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে নম্বর দিতে বলা হয়, তাহলে আমার খেলোয়াড়দের ১০ নম্বরই দিতে হবে। একজন কম নিয়ে প্রায় ৯০ মিনিট এভাবে খেলা, এমন কিছু খুব কমই দেখেছি। তারা ভালোভাবে রক্ষণ সামলাতে পেরেছে, আগ্রাসী ফুটবল খেলা প্রতিপক্ষের আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে।”
“ছেলেরা ভালো সময়ের মধ্যে আছে। আর ওই লাল কার্ডের পর তো আমি যেন গ্ল্যাডিয়েটরদের দেখলাম...একজন কম নিয়ে ৯০ মিনিট খেলা, এটা খুব, খুব কঠিন...”
১৪ ম্যাচে ১৪ জয় ও ৮ ড্রয়ে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো। একই দিন ওসাসুনার বিপক্ষে ১-১ ড্র করলেও সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রেয়াল। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনার (৪৮ পয়েন্ট) সুযোগ রয়েছে শীর্ষে ওঠার।
