ব্রেস্তের জালে পিএসজির ৭ গোলদাতার অনন্য কীর্তি, কোচের উচ্ছ্বাস
দলের খেলোয়াড়দের নিঃস্বার্থ মানসিকতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ লুইস এনরিকে।
ম্যাচের ২০তম মিনিটে ব্র্যাডলি বার্কোলার গোল দিয়ে শুরু। এরপর প্রতিপক্ষের জালে পিএসজির আরও সাত জন বল পাঠায়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্রেস্তের বিপক্ষে দলের এমন দাপুটে ও নিখুঁত পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি লুইস এনরিকে।
শেষ ষোলোর প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে বুধবার ব্রেস্তকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয় পিএসজি। দুই লেগ মিলিয়ে ১০-০ গোলের অগ্রগামিতায় জায়গা করে নেয় তারা পরের রাউন্ডে।
এদিন পিএসজির হয়ে ভিন্ন সাত জন করেন গোলগুলো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে যা অনন্য কীর্তি। ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় এক ম্যাচে কোনো দলের ভিন্ন সাতজনের গোল এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
এনরিকের মতে, স্বার্থপর না হয়ে শুধুই দলের কথা ভেবেছেন খেলোয়াড়রা। আর একারণেই এত গোল পেয়েছেন তারা। এমন মানসিকতার জন্য খেলোয়াড়দের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পিএসজি কোচ।
“ভিন্ন সাতজন গোল করায় আমাদের দল এবং খেলোয়াড়দের মানসিকতা ফুটে উঠছে। আজ তারা প্রায় সবাই গোল করেছে, কারণ যখন কেউ শেষ প্রান্তে বল নিয়ে গেছে, সেখানে কেউ না কেউ আরও ভালো অবস্থায় আছে, তখন পাস দিয়েছে।”
“তারা (খেলোয়াড়) যদি স্বার্থপর হতো, তাহলে আমরা কম গোল পেতাম। (খেলোয়াড়দের মানসিকতা) দারুণ লেগেছে, পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এটা সেরা পারফরম্যান্স ছিল। আমি আমার সব খেলোয়াড়কে তাদের মানসিকতার জন্য অভিনন্দন জানাই।”
আসরের প্রাথমিক পর্বে ইউরোপের বড় দলগুলোর মধ্যে আর্সেনাল, আতলেতিকো মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হয়েছে পিএসজি; যাদের মধ্যে কেবল সিটিকে হারাতে পেরেছে এনরিকের দল। শুরুর দিকের ওই বিবর্ণ পারফরম্যান্সের কারণেই ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল তারা।
পরে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে-অফে জায়গা করে নেয় পিএসজি। আর দুই লেগের এই লড়াইয়ে তো দাপুটে পারফরম্যান্সই উপহার দিল দলটি।
ব্রেস্তের বিপক্ষে দাপুটে জয়ের পর আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে পিএসজির। এনরিকে বললেন, যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য প্রস্তুত তারা।
“আমার মনে হয় না, এরই মধ্যে যাদের মুখোমুখি হয়েছি তাদের চেয়ে কঠিন আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আছে।”
