০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাণঘাতী ফাউল করে জাতীয় দলে জায়গা হারালেন ওউনো

মাঠে ওই সংঘর্ষে হেসুস দে মিগেলের মৃত্যুর পর, গোলরক্ষক ওউনোর সবকিছু যেন ওলট-পালট করে গেছে।

প্রাণঘাতী ফাউল করে জাতীয় দলে জায়গা হারালেন ওউনো

মাঠে ভয়াবহ সংঘর্ষের সেই ঘটনা। ছবি: স্ক্রিনশট

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 05 Nov 2026, 03:01 PM

Updated : 05 Nov 2026, 03:01 PM

মাঠে এক ভয়ঙ্কর ফাউল করায় এবং তাতে হেসুস দে মিগেল প্রাণ হারানোর পর, সবকিছু যেন এলোমেলো হয়ে গেছে হেসুস ওউনোর। তার জীবন হয়ে গেছে অস্থির। বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে তার ক্যারিয়ারেও। আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইয়ের দুটি ম্যাচের জন্য তাকে ছাড়াই দল ঘোষণা করেছে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি।

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে গত সোমবার তেনেরিফে ও আন্দররার ম্যাচে মাঠের মাঝখানে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টায় বিপরীত দিক থেকে দৌড়ে এসে দে মিগেলের বুকে আঘাত করে বসেন ওউনো। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরদিন হাসপাতালে মারা যান ৩০ বছর বয়সি দে মিগেল।

২০১৯ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় টিনএজার ওউনোর, এবং দ্রুতই দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হয়ে ওঠেন তিনি। আফ্রিকান নেশন্স কাপের সবশেষ তিনটি আসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।

২০২৭ আসরের বাছাইয়ে প্রথম দুটি ম্যাচেও পোস্টে ছিলেন ওউনো, কিন্তু চলতি মাসেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচে খেলা হচ্ছে না তার। দেশের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল শহর বাটায় আগামী ১২ নভেম্বর খেলার চার দিন পর, হারারেতে তারা খেলবে ফিরতি লেগ।

দুর্ঘটনার দিন মাঠ থেকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে শুরু করেন ওউনো। আর দি মিগেলের মৃত্যুর পর, ২৫ বছর বয়সি এই গোলরক্ষককে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করতে থাকে অনেকে। অনলাইনে গালিগালাজ ও আক্রমণের শিকার হওয়ার পর, তিনি মঙ্গলবার তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেন। তার পোস্টে কিছু ব্যবহারকারী ‘খুনি’ বলে মন্তব্য করে।

পরে বুধবার এক বিবৃতিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ওউনো।

“আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিন কাটছে। আমি উপযুক্ত শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না এবং যা ঘটেছে, তা মেনে নেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন। জানি অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এবং যা-ই আসুক না কেন, আমি সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে সবকিছুর মোকাবিলা করব।

“কিন্তু সত্যি বলতে, এই মুহূর্তে হেসুস এবং আমাদের এই যন্ত্রণা ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারছি না। শান্তিতে বিশ্রাম নাও, হেসুস।”