আধঘণ্টা আগে শেষ, শিক্ষার্থীদের ডেকে ফের পরীক্ষা গ্রহণ

কারিগরি শাখার ১৭৫ শিক্ষার্থীর এই সমস্যা হয় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্র সচিব কাজী আছমা বেগম।

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Sept 2022, 04:12 PM
Updated : 15 Sept 2022, 04:12 PM

কিশোরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের আধঘণ্টা আগে খাতা নিয়ে নেওয়া হয়েছে; পরে শিক্ষার্থীদের ডেকে আবার পরীক্ষা নেওয়া হয়।  

বৃহস্পতিবার হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি ভোকেশনাল বাংলা-২ (সৃজনশীল) বিষয়ের পরীক্ষায় এই ঘটনা ঘটে।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া পারভেজ বলেন, পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের আশপাশে থাকায় তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফারজানা খানম বলেন, ইতোমধ্যে ওই পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তবে ইউএনওর প্রতিবেদন অনুয়ায়ী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিভাবক, পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোকেশনাল শাখার বাংলা-২ (সৃজনশীল) পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ৩০ মিনিট আগেই, অর্থাৎ দুপুর সাড়ে ১২টায় উত্তরপত্র জমা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি অভিভাবকদের নজরে এলে তারা ইউএনওর কাছে অভিযোগ জানান। খবর পেয়ে ইউএনও এসে বিষয়টি নিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে বাকি ৩০ মিনিটের পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বেলা ২টার পর এই পরীক্ষা হয়।

কারিগরি শাখার ১৭৫ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এই সমস্যা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব কাজী আছমা বেগম।

এ জন্য রুটিনের অস্পষ্টতাকে দায়ী করে তিনি বলেন, রুটিনে পরীক্ষার সময় ও মানবণ্টনে বিশেষ নির্দেশাবলিতে লেখা রয়েছে, ২ ঘণ্টার পরীক্ষা ১.৩০ ঘণ্টা এবং ৩ ঘণ্টার পরীক্ষা ২ ঘণ্টা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আবার লেখা রয়েছে, প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্রে যে সময় নির্ধারণ করা আছে, যদি সেটাই হয়, তাহলে কেন ৩ ঘণ্টার পরীক্ষা ২ ঘণ্টা আর ২ ঘণ্টার পরীক্ষা ১.৩০ ঘণ্টা লিখতে হয়। মূলত রুটিনের এ অস্পষ্টতার কারণেই কক্ষ পরিদর্শকেরা ভুলটি করেন।

পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে উত্তরপত্র জমা নেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই পরীক্ষার্থীদের হইহুল্লোড়ে বিষয়টি নজরে আসে বলে জানান কেন্দ্রসচিব কাজী আছমা বেগম।

তিনি বলেন, পরে ইউএনও ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে কথা বলে পরীক্ষার্থীদের ডেকে এনে একই উত্তরপত্রে আবার তাদের আরও ৩০ মিনিট পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক