২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭ কার্তিক ১৪৩৩

শাবিতে ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে দু’পক্ষের মারামারিতে আহত ৩

আহত শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শাবিতে ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে দু’পক্ষের মারামারিতে আহত ৩

বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন বি’এর গ্রাউন্ডে ব্যাডমিন্টন কোর্টে  খেলাকে কেন্দ্র করে এই মারামারি হয়।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jan 2024, 10:21 AM

Updated : 25 Jan 2024, 10:21 AM

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারিতে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে অ্যাকাডেমিক ভবন বি’এর গ্রাউন্ডে ব্যাডমিন্টন কোর্টে নৃবিজ্ঞান বিভাগ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

আহতরা হলেন, রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের অনুরাগ শাহা অর্পণ ও আরাফাত এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শাফায়াত। 

প্রক্টর কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ব্যাডমিন্টন কোর্টে খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মারামারিতে জড়ায়। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। আহত শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান প্রক্টর।

মারামারির বিষয়ে রসায়ন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের হোসাঈন আইয়ুব বলেন, “আমাদের বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের কয়েকজন জুনিয়র ব্যাডমিন্টন কোর্ট প্রস্তুতের কাজ (রং করা) করছিল। কাজ শেষ করে তারা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে গিয়েছিল। এর মধ্যেই নৃবিজ্ঞানের চার-পাঁচজন এসে সেখানে খেলা শুরু করেন।

'“রসায়ন বিভাগের জুনিয়ররা ফিরলে ‘প্রস্তুত করা কোর্টে খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি’ হয়। এক পর্যায়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী শফিক, শাফায়েত, ফারহান চৌধুরী ও সানিসহ আরও কয়েকজন রসায়নের আরাফাত ও অর্পণকে মারধর করে।''

এ বিষয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহান চৌধুরীর বুধবার রাত ১১টার দিকে বলেন, “রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের দুইজন শাফায়াতকে প্রথমে মারধর করেছে। আমি রসায়নের কাউকে মারধর করিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। গণ্ডগোল দেখে পরে চলে এসেছি।”

তবে ঘটনার কারণ কী জানতে- আহতদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান খান বলেন, ঘটনার সমাধানে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসেছেন। ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে বিধি অনু্যায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে জানতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ছাত্র উপদেষ্টাকে কল দিলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।