১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মিধিলিতে আমনের ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ৬১০ হেক্টর ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০ হেক্টর জমির আধাপাকা ও পাকা আমন ধান এবং ৪২০ হেক্টর জমির মৌসুমি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চাঁদপুর সদরের বাগাদী ইউনিয়নের ছোবহানপুর, বাগাদী গ্রাম, নানুপুর, বালিয়া ইউনিয়নের সাপদি, ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সকদি রামপুর ও আশাপাশের এলাকায় গিয়ে আমন ধানের অধিকাংশ জমি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

চাঁদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Nov 2023, 09:03 PM

Updated : 18 Nov 2023, 10:10 PM

Image

ছোবহানপুর মাঠে দুদিন আগে কেটে রাখা ধান পানি থেকে তুলে আনছেন কৃষক মো. হাবিব। তিনি জানান, এ বছর তিনি পৌনে ৩ একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। অধিকাংশ জমি এখন পানির নীচে। প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন কী করবেন তিনি বুঝতে পারছেন না। 

Image

বাগাদী মাঠের কৃষক হাবিব বেপারী ও ওবাদ শেখ জানান, তাদের পুরো মাঠের অধিকাংশ জমির ধান হাঁটু সমান পানির নীচে। অনেকেই ধান কেটে শুকানোর জন্য দু-তিন দিন আগে রেখেছেন। চিন্তাও করতে পারেননি ঘূর্ণিঝড়ে এমন ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

Image

কৃষক আব্দুল খালেক বেপারী জানালেন, ঘুর্ণিঝড়ে বাতাসের তীব্রতায় সব ধান জমিতে নুয়ে পড়েছে। এ বছর তিনি বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন। তিনি সরকারের কাছে সহায়তা কামনা করেন।

Image

ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, আগে কেটে রাখা ধান শ্রমিক নিয়ে তুলেছেন। পানিতে ভিজে যাওয়ার কারণে ওজন বেড়ে গেছে। 

Image

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়ে আধাপাকা ও পাকা রোপা আমান ১৯০ হেক্টর, সরিষা ১৪০ হেক্টর, আগাম শীতকালীন সবজি ২৭০ হেক্টর ও ১০ হেক্টর জমির ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Image

ছোবহানপুর ও বাগাদী গ্রামের কৃষকরা জানান, জমিতে এখন হাঁটু সমান পানি। অনেক জমির পাকা ও আধাপকা ধান বাতাসে নুয়ে পড়েছে।